1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে সরকারি এক কর্মকর্তা। - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নরসিংদীতে ২৫ বোতল ফেনসিডিলসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার। কবরস্থানের মাটি বরাদ্দে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পিআইওর বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গল নতুন বাজার রাস্তা গুলো ফুটপাতে দোকান বসিয়ে উঠেছে যানজটের কারখানা যোগানিয়ায় সূর্যমুখী চাষে কৃষক মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত বিশিষ্টজনের সম্মানে কমলনগর প্রেসক্লাবের ইফতার  নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন। ৬ বছর বন্ধ স্কুল, তবুও সাধারণ সম্পাদক দাবী ! সেনবাগে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন নিয়ে তোলপাড় নড়াইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কিশোর নিহত, আহত ১ শ্রীমঙ্গল ভুনবীর চমুহনায় অবস্থিতো হাজী মনু মিয়া এতিমখানায় ওআমিনা খাতুন সুন্নিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ইফতার মাহফিল ও এতিমদের মাঝে ঈদের পোষাক বিতরণ নিরব হত্যা ও বৈষম্যবিরোধী নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধ

নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে সরকারি এক কর্মকর্তা।

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৩৫ Time View

নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে সরকারি এক কর্মকর্তা।

স্টাফ রিপোর্টার

ঝিনাইদাহের কালীগঞ্জে নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হওয়ার পথে আব্দুল মান্নান(৬০) নামে একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি কালীগঞ্জ শহরের বলিদাপাড়া গ্রামের মৃত মমরেজ আলী বিশ্বাসের ছেলে। বর্তমানে তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদে এ,ও হিসেবে কর্মরত আছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া আব্দুল মান্নান বলেন, আমি যখন জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ে সি এ হিসাবে কর্মরত ছিলাম তখন ঝিনাইদহ সদর থানার গয়েশপুরের সেলিনা পারভিন( ৫০)(পিতাঃ মোতালেব মুহুরি) এর সাথে বন্ধুর স্ত্রীর সুবাদে পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর থেকে পারিবারিক ভাবে সক্ষতা গড়ে ওঠে। এ সম্পর্কের কারণে সে আমার বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো।
ঝিনাইদহ সদর থানার ১২৬ নং গয়েশপুর মৌজা থেকে সাত শতক জমি আমার নামে রেজিস্ট্রি করিয়া দিবে বলে ৫৬০০০০০(ছাপ্পান্ন লক্ষ) টাকা নেয়। এরপর সে মনে মনে জমি না দেওয়ার দূরবীসন্ধি আঁটে এবং কম্পিউটার ফটোশপের মাধ্যমে আমার এবং তার অশ্লীল ছবি তৈরি করে এবং আমার বাড়িতে সাংবাদিক পাঠিয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি ধামকি দিয়ে মান-সম্মানের ভয় দেখিয়ে ৪৯০০০০(চার লক্ষ নব্বই হাজার) টাকা নেয়।পরবর্তীতে আবার আমার নামে ডিসি অফিসে, ইউএনও অফিসে অভিযোগ করে চাকরি যাওয়ার ভয় দেখিয়ে ও পেনশন বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৬১০০০০(ছয় লক্ষ দশ হাজার) টাকা নেয়।এ যাবত সে সর্বমোট ৬৭০০০০০ (সাতষট্টি লক্ষ) টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে।
কষ্টে অর্জিত এই সকল অর্থ হারিয়ে এখন আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছি। নারী প্রতারকের এই খপ্পর থেকে বাঁচতে এবং লুটকৃত সমুদয় অর্থ পুনরুদ্ধারে প্রশাসনসহ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই