1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
বাতিল হোক শান্তি চুক্তি - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নড়াইলের পল্লীতে টাকা না পেয়ে ঘরের টিন খুলে নিল পাওনাদার অলিপুর সড়কে প্রাণঘাতী ধাক্কা, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই শেষ শিশু আদিবা হত্যার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের ক্যাশলেস ভিশন-২০৩১ বাস্তবায়নে ২দিন ব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত বালিয়াড়িতে অবৈধ প্লট বাণিজ্যের অভিযোগ অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে এইচবিএম ইটভাটাকে জরিমানা! অবৈধভাবে কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের দায়ে একেএইচ লজিস্টিকসকে জরিমানা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আইজিএ প্রকল্পের জনবলের মানববন্ধন রাজবাড়ীতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, অপহৃতকে উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৫ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবাগতদের বরণ অনুষ্ঠিত

বাতিল হোক শান্তি চুক্তি

মোহাম্মদ রুস্তম আলী কিশোরগঞ্জ
  • Update Time : বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৮৪ Time View

বাতিল হোক শান্তি চুক্তি

মোহাম্মদ রুস্তম আলী কিশোরগঞ্জ

নির্দিষ্ট ভূমি সীমা ও জনগণ নিয়ে গঠিত হয় রাষ্ট্র। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এবং জনগণের নিরাপত্তার জন্য তৈরি করা আইন যাকে একত্রে সংবিধান বলে।

১৯৪৭ সালে ভারত ভাগে সৃষ্টি হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র। পাকিস্তান রাষ্ট্রের দুটি অংশ একটি পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তান।দুই প্রদেশের মধ্যে দুরত্ব ১৪’শ মাইল প্রায়।পৃথিবীতে এমন ইতিহাস দ্বিতীয় কোথাও নেই। পশ্চিম পাকিস্তানে সকল কর্তৃত্ব পরিচালনা করেন।যেখানে বৈষম্য লুটের চিত্র ফুটে ওঠে। 

২৪ বছর লুট নির্যাতনের প্রতিবাদে নতুন রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজন হয়ে ওঠে।পাকিস্তান ভেঙে সৃষ্টি হয় নতুন রাষ্ট্রের, লাখো শহীদ ও নারীর সম্ভমের বিনিময়ে সৃষ্টি হয় বাংলাদেশ। 

একটি রাষ্ট্রে বিভিন্ন মতের, নানা ধাচের, ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের ও নীতির মানুষ বাস করেন।কারো পরিচয় তার ধর্মে বা নীতির নয়।একজন মানুষের প্রথম পরিচয়,  সে এই দেশের নাগরিক। 

সে কোন গোষ্ঠীর বা জাতির সেই অনুযায়ী কোনো অধিকার পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না।দেশের আইন অনুযায়ী সকল নাগরিকের অধিকার পাবেন।একজন মানুষের পরিচয় সে দেশের নাগরিক। প্রত্যেকেই নাগরিক অধিকার পাবেন।

কারো ধর্ম বা গোষ্ঠী বিবেচনা করে পৃথক কোনো শান্তি চুক্তি করা এটা দেশের মধ্যে শত্রু পুষে রাখা বা সন্ত্রাসী সংগঠন  তৈরি করা বলে মনে করি।

পাহাড়ি অঞ্চলে বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠন দেখা যায় মাঝে মধ্যেই। তাদের দমন করতে গেলেই আদিবাসী বা উপজাতিরা স্লোগান উঠান,  সেনাবাহিনী হোটাও,,আদিবাসী বাঁচাও।বাঙালি সরাও, পাহাড় বাঁচাও!

রাষ্ট্রের সীমানায় যেকোনো জায়গায় সেনাবাহিনী থাকবে।নাগরিক হিসেবে যে কেউ দেশের যে কোনো জায়গায় যাবে এটাই স্বাভাবিক। 

কিন্তু পাহাড়ি অঞ্চলে বাহিরের কেউ গেলেই তাকে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরতে হবে কেন?এই বিষয়ে উপজাতিরা নিশ্চুপ থাকেন!দেশে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী থাকা অবস্থায় কেন তাদের আলাদা সশস্ত্র বাহিনী থাকবে?

পাহাড় অঞ্চল সম্পূর্ণ সন্ত্রাসী মুক্ত করা হোক এবং দেশের নাগরিক অধিকার ব্যতীত সকল শান্তি চুক্তি বাতিল করে, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হোক।লেখকঃশেখ মামুন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই