রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর বাজারে পাটের গোডাউনে আগুন লেগে প্রায় ৫০০ মণ পাটসহ পাশের তুলার মিল,গ্যাস সিলিন্ডার, কাপড়, মুদিখানাসহ ২১ টি দোকান পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে
৭ই মার্চ বাঙালির জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্মুখ লড়াই মূলত ১৯৭১ সালের সাতই মার্চ থেকেই শুরু হয় এবং ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি সমাপ্ত হয়। ৭ই মার্চ
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান-এর অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)।
সংবিধান নাগরিকের জন্য চিকিৎসা সেবার অধিকার নিশ্চিত করেছে। বাস্তবে সেই অধিকার আজও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। শহর ও গ্রামের ব্যবধান সরকারি ও বেসরকারি সেবার বৈষম্য,অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও কার্যকর ব্যবস্থাপনার অভাব
বাধা উপেক্ষা করে হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত বজ্রকণ্ঠ: ৫৫ বছরে ৭ মার্চের অবিনাশী চেতনা ৭ মার্চ ১৯৭১। বাংলাদেশের ইতিহাসের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, যখন রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন
আপনাদেরএই ইতিবাচক এবং নৈতিক অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী। একটি সংগঠনের ভিত্তি যদি হয় ন্যায়বিচার এবং নারী নিরাপত্তা, তবে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করা অনেক সহজ হয়। অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া মানে
এই পৃথিবী যতোদিন থাকবে ততোদিন থাকবে তুমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সমগ্র জাতিকে মুক্তির মোহনায় দাঁড় করিয়েছিলো “বাঙ্গালী জাতির মুক্তির দিশারী, বাঙ্গালী জাতির স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, হাজার
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না রাখা এবং জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে দুটি ফিলিং স্টেশনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার ( ৭ মার্চ ) দুপুরে
নোবেলজয়ী সুদখোরের সেইফ এক্সিট : বিদায়বেলাতেও নিজের থলে ভরতে ভুললেন না ইউনূস… মানুষ যখন বিদায় নেয়, তখন সে সাধারণত নিজের পেছনে কিছু একটা ভালো স্মৃতি রেখে যেতে চায়। কিন্তু ড.
বঙ্গবন্ধু একাত্তরের মার্চেই বিকল্প সরকার পরিচালনা করেন………….. বাংলাদেশ কেবল স্বাধীনতা অর্জন নয়, প্রশাসন পরিচালনা,আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার জন্যও যে প্রস্তুত,সেটা স্পষ্ট হয়ে যায় ১৯৭১ সালের মার্চ