1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
“ স্বাধীনতা যুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর নামেই শুরু হয়েছিল”—বলেন মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন (বীরবিক্রম) - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কমলনগরে বাজারের চুরি ঠেকাতে ব্যবসায়িদের মানববন্ধন সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে শতকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ: আলোচনায় আসিফ নজরুল, নেপথ্যে রমজান-মাইকেল সিন্ডিকেট নোয়াখালীতে ফাঁকা বাড়িতে আমগাছে ঝুলন্ত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার নোয়াখালী চাটখিলে ভূমিদস্য আবদুল হামিদের তাণ্ডবে আজও বাড়িঘর উঠতে পারেনি সাংবাদিক সৈয়দ নূরে আলম চৌধুরী” সাধারণ মানুষের ঘরে আগুন ভাঙচুর আর লুটপাট এটাই কি বিএনপির রাজনীতি? বীরগঞ্জে অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণী সাফল্যের একযুগে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ” চাটখিল উপজেলার ছোট ভাইয়ের বৌ এর সাথে পরকীয়া বড় ভাই আবদুল হামিদ “ ওয়াসার মেগা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ পদ্মা থেকে সায়েদাবাদ—হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে এক মোস্তাফিজুর রহমানের, এই কর্মকর্তার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু “ “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কে নিষিদ্ধ করা প্রতিবাদে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি’র বিবৃতি “

“ স্বাধীনতা যুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর নামেই শুরু হয়েছিল”—বলেন মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন (বীরবিক্রম)

প্রতিবেদক বার্তা সম্পাদকঃ-দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ !
  • Update Time : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৫ Time View

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান-এর অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর নামেই শুরু হয়েছিল। তাঁর অবদানকে কোনোভাবেই অস্বীকার করা যায় না।”

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন প্রধান প্রেরণার উৎস। দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন, জনগণকে সংগঠিত করা এবং স্বাধীনতার দাবিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্বই বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের পথে এগিয়ে দিয়েছিল।
মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন বীরবিক্রম বলেন, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। এর পেছনে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, আন্দোলন এবং জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষা কাজ করেছে। সেই সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।”
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল এবং তাঁর ঐতিহাসিক আহ্বানেই দেশবাসী মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
উল্লেখ্য, মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ নিজেও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য “বীরবিক্রম” খেতাবে ভূষিত হন। পরবর্তীকালে তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন হলেও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ক্ষেত্রে সত্যকে স্বীকার করা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, “মুক্তিযুদ্ধ কোনো একটি দলের একক সম্পদ নয়। এটি পুরো জাতির অর্জন। এই যুদ্ধের ইতিহাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।”
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাসকে রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে রেখে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখা উচিত। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হলে সকল অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা দরকার।
মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিনের এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অবদান স্বীকার করার এই বক্তব্য জাতীয় ঐক্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে নানা সময়ে রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা গেলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ঐতিহাসিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁর নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি স্বাধীনতার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল এবং সেই সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে রেখে সত্য ও ইতিহাসের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান কর্নেল হাফিজ উদ্দিন। তাঁর মতে, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়—এটি সমগ্র জাতির রক্ত ও ত্যাগের ফসল।”

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই