1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
চার দিনেও মেলেনি সহায়তা, খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নরসিংদীর শিলমান্দী ইউনিয়নের সাবেক মহিলা সদস্য সেলিনা বেগমকে ঘিরে নানা আলোচনা “রাজপথে ছিলাম আমরা, পদ পাচ্ছে ওরা”-সেনবাগ ছাত্রদলে ক্ষোভের আগুন নড়াইল সদরে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার নরসিংদী ডিভি পুলিশের অভিযানে আন্তঃ জেলা মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের সদস্য আটক! ঝিনাইদহে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ। ঝালকাঠিতে সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম নড়াইলে সয়াবিন তেলের বোতলে অতিরিক্ত মূল্য: এ.জে কনজ্যুমার প্রোডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়বদ্ধতা ও বাস্তবতা: আনন্দ ভ্রমণের প্রেক্ষাপটে একটি প্রাসঙ্গিক আলোচনা ভেড়ামারায় সোহেল রানা হত্যাকান্ডের মূলরহস্য উদঘাটন, বিজ্ঞ আদালতে আসামীর দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদকসেবী আটক, কারাদণ্ড প্রদান

চার দিনেও মেলেনি সহায়তা, খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:
  • Update Time : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৭৬ Time View

মেঘনা নদীর ভয়াল ভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর পর বহু কষ্টে গড়ে তোলা শেষ আশ্রয়টুকুও কেড়ে নিয়েছে কালবৈশাখী ঝড়। নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কৃষক জসিম উদ্দিন এখন স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জানা গেছে, উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন একসময় মেঘনা নদীর ভাঙনে নিজের বসতভিটা হারান। পরে অন্যের জমিতে আশ্রয় নিলেও বেড়িবাঁধ নির্মাণের সময় সেখান থেকেও সরে যেতে বাধ্য হন। সবশেষে বেড়িবাঁধের পাশের খাস জমিতে টিন ও বাঁশ দিয়ে ছোট্ট একটি ঘর নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন।

কিন্তু গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে মুহূর্তেই গুঁড়িয়ে যায় তাদের সেই শেষ আশ্রয়। ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরের টিন উড়ে যায়, বাঁশ ভেঙে পড়ে এবং পুরো ঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে একসময় ছিল ছোট্ট একটি বসতঘর, সেখানে এখন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ভাঙা টিন, ছিন্ন বাঁশ ও বিধ্বস্ত ঘরের বিভিন্ন অংশ। খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে পরিবারের ব্যবহার্য সামগ্রী।

ঝড়ের চার দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ করেন জসিম উদ্দিন। নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে তার।

জসিম উদ্দিনের স্ত্রী অজিবা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,“আমাদের থাকার মতো আর কোনো জায়গা নেই। যেটুকু ছিল, সেটাও শেষ হয়ে গেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না, বসে বসেই রাত কাটাতে হয়।”

অসহায় জসিম উদ্দিন বলেন,“নদী আমাদের ভিটেমাটি নিয়েছে, বাঁধের সময় আশ্রয় হারিয়েছি। শেষমেশ এই ছোট ঘরটাই ভরসা ছিল। কালবৈশাখী সেটাও কেড়ে নিল। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব বুঝতে পারছি না।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে এমন অনেক পরিবার বছরের পর বছর নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছে। কিন্তু একের পর এক দুর্যোগে তাদের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তারা দ্রুত ভুক্তভোগী পরিবারটির জন্য স্থায়ী ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন,“বিষয়টি শুনেছি। খোঁজ নিয়ে তাদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই