1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
মব সন্ত্রাসীদের গডফাদার সুদি ইউনূসের চরম বঙ্গভবনে বন্দিদশায় ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন দীর্ঘ ১৮ মাস । - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আবারও আফগানিস্তানের মুসলমানদের উপর বিমান হামলা করলো পাকিস্তান। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক অভিযানকালে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ মব সন্ত্রাসীদের গডফাদার সুদি ইউনূসের চরম বঙ্গভবনে বন্দিদশায় ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন দীর্ঘ ১৮ মাস । মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাক্ষাৎ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন (গেরিলা বাহিনী) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একমাত্র সংগঠন ! নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বিএনপি নেতার মৃত্যু ৪ নং সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের দুর্গানগর গ্রামে একটি অঘটন ঘটেছে যা সবাইকে চিন্তিত করে তুলেছে। ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। ঝালকাঠিতে বয্লুর রহমান হক্কোননূরী বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান নড়াইলে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, বাবা-ছেলেসহ নিহত ৪ ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

মব সন্ত্রাসীদের গডফাদার সুদি ইউনূসের চরম বঙ্গভবনে বন্দিদশায় ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন দীর্ঘ ১৮ মাস ।

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ-জাতীয় দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ ৭১
  • Update Time : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪২ Time View

বঙ্গভবনে ১৮ মাস টানা দেড় বছর জঙ্গি জামাতি মব সন্ত্রাসীদের গডফাদার সুদি ইউনূসের স্বেচ্ছাচারিতায় বঙ্গভবনে বন্দিদশায় ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক রোমহর্ষক সাক্ষাতকারে তিন উন্মোচন করেছেন ইউনূসের চরমহ স্বেচ্ছাচারিতা, সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রপতির পদকে বিভিন্ন ভাবে অবমাননা করার চিত্র। ইউনুসের হাজারো ষড়যন্ত্র ও অসাংবিধানিক চাপের মুখে পড়েও পাহাড়সম মনোবল নিয়ে দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য একাই লড়াই করে গেছেন নিজ জায়গা থেকে।

গত ১৮ মাসে রাষ্ট্রপতিকে কোন বিদেশ সফর করতে দেয়নি ইউনূস অথচ ইউনূস নিজে গত দেড় বছরে ১৪-১৫ বার বিদেশ সফর করেছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর করে আসার পরে রাষ্ট্রপিতর সাথে সাক্ষাৎ করে তার সফরের বিষয়ে অবগত করেন কিন্তু ইউনূস সেই নিয়মকেও তোয়াক্কা করেনি। এমনকি কাতার ও কসোভোর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফোরামে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য রাষ্ট্রপতি বরাবর আমন্ত্রন আসলে ইউনূস রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনকে সেখানে অংশগ্রহণ করতে দেয়নি। ইউনূস শুধু মো: সাহাবুদ্দিনকে এ অপমান করেনি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সাংবিধানিক পদকেও অপমান করেছে। যার কারনে যে কোন বিচারেই ইউনূস ও তার চ্যালাচামুন্ডাদের ফাঁসি অবধারিত।

রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনকে অন্ধকারে রেখে ইউনূস বাংলাদেশের সংবিধান লঙঘন ও স্বৈরতান্ত্রিক আচরণের সর্বোচ্চ লেভেল অতিক্রম করেছে। রাষ্ট্রপতির অগোচরে কোন প্রকার সমন্বয় ছাড়াই ১৩৩ টি অধ্যাদেশ জারি করেছে ইউনূস যা তার স্বৈরাচারি কার্যকলাপের অন্যতম একটা উদাহরণ। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যখন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয় তখনও রাষ্ট্রপতিকে অবজ্ঞা করে গেছে ইউনূস যা সম্পূর্ণ ইউনূসের দৃষ্টাতা, রাষ্ট্রপতি পদকে অবজ্ঞা এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল।

কালের কণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন দাবি করেছেন, গত দেড় বছরে রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে বিদেশি আমন্ত্রণ পেয়েছেন দুইবার (কাতার ও কসোভোতে আন্তর্জাতিক ফোরামে)। কিন্তু দুইবারের একবারও ইউনূস রাষ্ট্রপতিকে বিদেশ ভ্রমণ করতে দেয়নি। এমনিক সবচেয়ে বড় জালিয়তি করেছে রাষ্ট্রপতির নামে ভূয়া চিঠি ইস্যু করে জানিয়ে দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত আছে তাই ঐ আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপতি যোগদান করতে পারবেনা। ভাবা যায় এটা কত বড় দৃষ্টতা দেখিয়েছে। এ নিয়ে রাষ্ট্রপতি মন্ত্রনালয় বরাবর চিঠি ইস্যু করলেও সেই চিঠির জবাব ও দিতে দেয়নি ইউনূস কিংবা তার অপদেষ্টারা। এর পর থেকে আর কোন রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণের চিঠি রাষ্ট্রপতি বরাবরে আসলে ইউনূস তা রাষ্ট্রপতিকে জানতে দেয়নি।

ইউনূসের চেলা ডাস্টবিন শফিক্কা ও ইউনূস ষড়যন্ত্র, প্রতিহিংসা করে বঙ্গভবনের দীর্ঘদিনের পুরনো প্রেস উইংয়ের সদস্যদের প্রত্যাহার করে নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে দেশের জনগনের কাছ থেকে আড়াল করে রাখে, যার কারনে দীর্ঘ ১৮ মাস দেশের মানুষ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে তেমন একটা দেখতেই পায়নি। মো: সাহাবুদ্দিন এমনো দাবি করেছেন বঙ্গভবনে ৩০ বছর ধরে নিয়োজিত ফটোগ্রাফারদেরকে পর্যন্ত এই শফিক্কা সরিয়ে নিয়েছে। রাষ্ট্রপতির সাথে সামান্য একটা ডাস্টবিন সমতূল্য (শফিক্কা) তেলাপোকা কতটা দৃষ্টতা দেখিয়েছে, কতটা অপমান করেছে যা এদেশের যেকোন রাষ্ট্রীয় আইনের বিচারেই ফাঁসির সাজা প্রাপ্ত হবে।

ইউনূস রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনের উপরে এতোটাই প্রতিহিংসা পরায়ন ছিলো যে অসাংববিধানিক উপায়ে রাষ্ট্রপতিকে সরানোর মতো রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধে জড়াতে ও দ্বিতীয় বার চিন্তা করেনি। ইউনূসের একজন উপদেষ্টা বেআইনিভাবে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি বানানোর চক্রান্ত ও করেছিলো, কিন্তু সেই বিচারপতি সাংবিধানিক দিক বিবেচনা করে সেই ষড়যন্ত্রের বলি হতে অস্বীকৃতি জানায়।

রাষ্ট্রপতিকে সরানোর আরো একটি ঘৃণ্য চেষ্টা চালায় ইউনূস। সারাবিশ্বের বাংলাদেশ মিশন গুলো থেকে বেআইনিভাবে ও কোন প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এক রাতের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে ফেলার ঘৃণ্য কাজ করে। যা কেবল একজন মো: সাহাবুদ্দিনকে অপমান করা হয়নি বাংলাদেশের একটি সাংবিধানিক পদকে অপমান করা হয়েছে। ছবি নামানোর ঘটনায় রাষ্ট্রপতি তখন ইউনূসের পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে চিঠি দেয় এবং সেই চিঠির শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি আক্ষেপের সহিত লিখে, “কোন অভিযোগ নেই, আছে কেবল আর্তনাদ”। কতটা দু:ক্ষ ভারাক্রান্ত হলে তিনি এমন কথা বলতে পারেন। কিন্তু ইউনূসের সেই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিকে সেই চিঠির জবাব না দেওয়ার ও দৃষ্টাতা দেখিয়েছিলো।

সর্বশেষ, ইউনূসের সকল ষড়যন্ত্র যখন ব্যর্থ হতে থাকে তখন ২২ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে রাষ্ট্রপতিকে সরানোর জন্য সবচেয়ে নিকৃষ্ট নীল নকশা তৈরি করে ইউনূস। ভাড়াটে ও ছিন্নমূল লোকজন এনে বঙ্গভবন ঘেরাও কর্মসূচির নামে মব তৈরি করে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করার ঘৃণ্য চেষ্টাও চালায় ইউনূস। একটা মেয়েকে দিয়ে নাটক সাজিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার নাটকও সাজিয়েছিলো দুর্বৃত্তরা। এমনকি সেদিনের সেই ঘটনার পরেও ইউনূস রাষ্ট্রপতির খোঁজ নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছিলো ইউনূসের যা সম্পূর্ণ রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ।

রাষ্ট্রপতির ভাষ্যমতে তার এই দেশপ্রেমিক ও সাহসী অবস্থানের পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিলো বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। তিন বাহিনীর প্রধানরা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয়, রাষ্ট্রপতির পতন মানে পুরো সশস্ত্র বাহিনীর পতন, যা তারা কোন ভাবেই এটা মেনে নিবে না। রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনের দৃঢ় অবস্থান এবং সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেমিক ভূমিকায় ইউনূসের অসাংবিধানিক চক্রান্ত নস্যাৎ হয়েছে। দেশ রক্ষা পেয়েছে এক গভীর সাংবিধানিক সংকটের অন্ধকার গহ্বর থেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই