1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
পাবনার সাবেক এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স ও তার গুন্ডালীগের অপকর্ম ফাঁস। - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নিরব হত্যা ও বৈষম্যবিরোধী নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধ ঝালকাঠিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিনিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত গুরুদাসপুর–বড়াইগ্রাম সীমান্তে আইরমারি ব্রিজের নিচে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও সেবাখাতে স্বেচ্ছাচারিতা প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে নির্বাহী অফিসারের মতবিনিময় ! ঈদ মোবারক,, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের জানাচ্ছি,পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, ঈদ মোবারক !! হৃদয়ে শ্রীমঙ্গলের উদ্যোগে ১৫৫০ পরিবারের মাঝে রমজানের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন সকল নেতাকর্মী এবং সম্মানিত সহযোদ্ধাগণ সকলের প্রতি রইলো সালাম ও মুজিবীয় শুভেচ্ছা। নরসিংদীর ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ আলমগীর হোসেন ভাই অবসরে গেলেন কমলনগরে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির ইফতার আয়োজন।  ইউনুসীয় সংস্কারের সরকার, লুটের হিসাব : ১৪৭০ কোটির ওয়ার্ক অর্ডার, তহবিলে ২৫ কোটি

পাবনার সাবেক এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স ও তার গুন্ডালীগের অপকর্ম ফাঁস।

সাবেদুল সরকার, পাবনা জেলা, প্রতিনিধিঃ-
  • Update Time : বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১১৫ Time View

পাবনার সাবেক এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স ও তার গুন্ডালীগের অপকর্ম ফাঁস।

সাবেদুল সরকার,পাবনা জেলা প্রতিনিধি।।পাবনার সাবেক এমপি প্রিন্সের উত্থানের একটি ঘটনা! ২০১০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষাচলাকালে হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিজয় ভূষন পাল,রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুল মামুনসহ ১৫ জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এসময় বিভাগীয় কমিশনার অফিসের ১টি গাড়ি ও জেলা প্রশাসনের ৪টি গাড়িসহ পরীক্ষা কেন্দ্রে ভাংচুর করা হয়। পরীক্ষার খাতা ছিঁড়ে ফেলে এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়। প্রশাসনে আওয়ামী লীগের নগ্ন হস্তক্ষেপের ঘটনা দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠে। এই ঘটনার নেপথ্যে উঠে আসেন গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স। তার বিরুদ্ধে ডিসিকে লাঞ্ছিত করারও অভিযোগ উঠে। ডিসি অফিস ঘেরাও, সড়ক অবরোধ,কর্মবিরতিসহ ঘটনায় দুই সপ্তাহ ধরে চলে প্রশাসনও ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে টানাপোড়ানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রশাসনিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম পাবনায় আসেন। তিনি এসে ঘটনার রেশ টানলেও শেষ পর্যন্ত পাবনা ছাড়তে বাধ্য হোন তৎকালীন জেলা প্রশাসক ড. এএফএম মঞ্জুর কাদির ও পুলিশ সুপার জামিল আহমেদ এডিসি,ইউএনও,ওসি সহ প্রশাসনের শীর্ষ প্রায় সব কর্মকর্তা। যাওয়ার আগে এক মতবিনিময় কান্নায় ভেঙে পড়েন জেলা প্রশাসক ড.এ এফ এম মঞ্জুর কাদির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইদুর রহমান ও ম্যাজিষ্ট্রেট ইসরাত জাহান। এমন কিছু ঘটনা নিয়ে আরও বিস্তারিত আসবে ইনশাআল্লাহ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই