1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
রাজনগর ভয়াবহ বন্যায় রাকিব এন্ড সাকিব হাঁস ফার্মের দশ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাবনা-৩ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়। সাঁথিয়ায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি শামসুর রহমানের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত ?? জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল আহ্বায়ক হুমায়ুন সজিবের নামে প্রচারিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ?? অবৈধ দেশদ্রোহী জঙ্গি ইউনুস সরকার, যার কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই, ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি অবৈধ ইউনূস,জামায়াত আর আমেরিকা: ভারত,রাশিয়া, চীনকে ঠেকাতে বাংলাদেশকে বলি দেওয়ার ত্রিমুখী আঁতাত  লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি? পুংগলী আমিনা মোস্তফা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতা পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত। কমলনগরে ইটভাটা শ্রমিককে অপহরণের চেষ্টা, নারীসহ ৫জনকে পিটিয়ে আহত ‎ যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?

রাজনগর ভয়াবহ বন্যায় রাকিব এন্ড সাকিব হাঁস ফার্মের দশ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

এনামুল হক আল।মৌলভীবাজার
  • Update Time : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১১৬ Time View

রাজনগর ভয়াবহ বন্যায় রাকিব এন্ড সাকিব হাঁস ফার্মের দশ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

এনামুল হক আল।মৌলভীবাজার

ভয়াবহ বন্যায় ভেসে গেছে রাকিব এন্ড সাকিব হাঁস ফার্মের ৮ শতাধিক হাঁস,১ টি মাছের ফিসারী। ফার্মের বিদেশী জাতের ১১ টি গরু এখনও পানি বন্দি। ৮ নং মনসুর নগর ইউনিয়েনে বানারাই গ্রামের রেজিস্ট্রিকৃত বে-সরকারী রাকিব এন্ড সাকিব হাঁসের ফার্মের মালিকের ভেসে গেছে প্রায় ৮ শতাধিক হাঁস, হাঁটু পানিতে দাড়িয়ে আছে ১১ টি বিদেশী জাতের গরু। তালিয়ে গেছে ৪০ বিঘা আমন ধানের ফসলী জমি। ভেংঙ্গে গেছে কৃষকের স্বপ্ন। জীবনের জমানো অর্থ সম্পদ হারিয়ে দিশাহারা বানারাই গ্রামের কৃষক খামার মালিক রেজাক মিয়া পুত্র জুয়েল মিয়া। পাঁচগাঁও ইউনিয়নের সর্ষপুতা গ্রামে ছিল তার ১২০০ শত হাঁসের খামার, একটি ফিসারী,১১ টি বিদেশী গরু নিয়ে গরুর ফার্ম। আমন ধান রোপন করেন ৪০ বিঘা জমিতে। এটাই ছিল তার জীবন জীবিকা। জুয়েল মিয়া জানান, প্রতিটি হাঁসের মুল্য ৬৫০ টাকা করে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকার হাঁস, বিঘা প্রতি আমন জমি ৩ হাজার ৫ শত টাকা করে ফসল রোপন করতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। ফিসারীর প্রায় ৩ লাখ টাকার মাছ সম্পূন্ন বন্যায় ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। ফার্মের গরু রক্ষা পেলেও বিশুদ্ধ পানি আর খাবারের জন্য সুস্থ অবস্থায় নেই। কিছু হাঁস আটকানো গেলেও তাদেরও খাদ্য সংকট আর ঔষধের জন্য মারা যাচ্ছে।
পাঁচগাঁও ইউনিয়নের সর্ষসুতা ও তার আশপাশ এলাকার মানুষ এখনও পানি বন্দি। বন্যা পরিস্থতি কিছুটা উন্নতি হলেও নিন্মাঞ্চল থাকায় এই এলাকায় পানি কমেনি। ক্ষুদ্র ঋন আর চড়া সুদে টাকা নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলেন। রোপন করেছিলেন আমন ধান। বন্যার পানিতে সব তলিয়ে গেছে। জুয়েল মিয়া বলেন, সর্ষসুতা গ্রামে ১২ শত হাঁস, ১১ টি বিদেশী গরু দিয়ে ফার্ম করেছিলাম। সাথে একটি ফিসারিও করেছিলাম। হঠাৎ করে বন্যার পানি প্রবেশ করায় প্রায় ৮শত ৫০ টি হাঁস ভেসে যায়। তালিয়ে যায় আমার রোপন করা ৪০ বিঘা জমি। ভাসিয়ে নিয়ে যায় আমার একটি ফিসারি। বিদেশী জাতের ১১টি গরুর ফার্ম আছে। বন্যার শুরু থেকে গরু গুলো পানিতে দাঁড়িয়ে আছে। এগুলোকে সরিয়ে নেওয়ার কোন সুজুগ নেই। বন্যার দুষিত পানিতে দাঁড়িয়ে গরু গাঁয়ে ফুস্কা পড়ে যাচ্ছে। হাঁস যে গুলো উদ্ধার করতে পেরেছি তাও খাদ্য ও দুষিত পানির কারনে মারা যাচ্ছে। সব কিছু হারিয়ে এখন যা অবশিষ্ট ছিল তাও শেষ হয়ে যাবে। আমাদের জন্য স্বল্প ত্রাণ পেয়ে জীবন বাঁচাতে পারলেও খাদ্যের ও ঔষধের অভাবে মারা যাবে গরু, হাঁস।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই