1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়—সংগঠক আয়মান হোসেনের এক দশকের লড়াই - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী বিএনপির ক্ষমতার দেড় মাস : শ্রমিক জেলে, তেল নেই, সরকার নির্বিকার চট্টগ্রামে চালক ও শ্রমিকদের দক্ষতা, শব্দ দূষণ নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা নরসিংদীর শিবপুর থানায় মিথ্যা মামলার অভিযোগে দুইজন কারাগারে শুক্রবার ভোরেই মাঠে নামছে দুই শক্তিশালী দল: সেনবাগ বনাম কাজীরহাট ক্রিকেট যুদ্ধ রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে, ৪১ হাজার বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রম শুরু কমলনগরে মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে নামায় ৬ জেলের কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে প্রাইভেট কারসহ ৫ জন গ্রে*ফ*তা*র। নরসিংদী রায়পুরার বাঁশগাড়ীতে ১ যুগের বিরোধের অবসান বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়—সংগঠক আয়মান হোসেনের এক দশকের লড়াই

বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়—সংগঠক আয়মান হোসেনের এক দশকের লড়াই

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা !!
  • Update Time : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৬ Time View

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পৌঁছে দিতে যে কজন তরুণ সংগঠক নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম মোঃ আয়মান হোসেন। বিশেষ করে ‘বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তার নাম এখন রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচিত। তবে এই অবস্থান তৈরিতে তাকে পাড়ি দিতে হয়েছে এক দীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ পথ।

শূন্য থেকে সংগঠনের ভিত্তি স্থাপন

আয়মান হোসেনের এই যাত্রার শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। সম্পদ বা বংশীয় প্রভাবের চেয়েও তার বড় শক্তি ছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অগাধ বিশ্বাস। একটি অরাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনকে শূন্য থেকে গড়ে তোলা এবং দেশব্যাপী এর শাখা বিস্তার করা ছিল এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আয়মান হোসেনের প্রধান কৃতিত্ব হলো—তিনি কেবল ঢাকা কেন্দ্রিক রাজনীতি না করে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণদের এই পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছেন।

সাংগঠনিক দক্ষতা ও কৌশলী নেতৃত্ব

আয়মান হোসেনের নেতৃত্বের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, সংগঠনের স্থায়িত্বের জন্য শক্তিশালী অভিভাবক প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই তিনি সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন-এর মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বকে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত করতে সক্ষম হন। এটি সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা ও শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

আদর্শিক সংগ্রাম ও ত্যাগ

সংগঠনটি তৈরির পেছনে আয়মান হোসেনের ব্যক্তিগত ত্যাগের কথা তার কর্মীরা প্রায়ই উল্লেখ করেন। দিনরাত এক করে জেলা থেকে উপজেলায় ঘুরে বেড়ানো, কর্মীদের সুসংগঠিত করা এবং বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বিশাল শো-ডাউন আয়োজনের মাধ্যমে তিনি নিজের সাংগঠনিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। বিশেষ করে শোক দিবস ও বিজয় দিবসের কর্মসূচিগুলোতে তার নেতৃত্বের ছাপ স্পষ্ট থাকে।

সমালোচকদের জবাব ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য

নামের সাথে ‘গেরিলা’ শব্দটি যুক্ত থাকায় অনেকে শুরুতে ভ্রুকুটি করলেও, আয়মান হোসেন স্পষ্ট করেছেন যে এটি কোনো সশস্ত্র গ্রুপ নয়; বরং এটি একটি আদর্শিক গেরিলা বাহিনী যারা রাজপথে অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়বে। তার মূল লক্ষ্য হলো ডিজিটাল বাংলাদেশের স্মার্ট যুগে তরুণদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানো এবং শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করা।

উপসংহার:
মোঃ আয়মান হোসেন কেবল একটি সংগঠনের সভাপতিই নন, বরং তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার এই দীর্ঘ পরিশ্রমের ফসল হিসেবে ‘বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন’ আজ একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের এই নেতৃত্ব আগামী দিনে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আদর্শিক লড়াইয়ে কতটুকু প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই