1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
"নরসিংদির মেয়ে খাদিজা পরকীয়া প্রেমে বড় ভাবি হাফসা'র সহযোগিতায় পবিত্র ঈদের দিন সকালে স্বামীর ঘর থেকে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে " - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নরসিংদীর শিলমান্দী ইউনিয়নের সাবেক মহিলা সদস্য সেলিনা বেগমকে ঘিরে নানা আলোচনা “রাজপথে ছিলাম আমরা, পদ পাচ্ছে ওরা”-সেনবাগ ছাত্রদলে ক্ষোভের আগুন নড়াইল সদরে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার নরসিংদী ডিভি পুলিশের অভিযানে আন্তঃ জেলা মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের সদস্য আটক! ঝিনাইদহে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ। ঝালকাঠিতে সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম নড়াইলে সয়াবিন তেলের বোতলে অতিরিক্ত মূল্য: এ.জে কনজ্যুমার প্রোডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়বদ্ধতা ও বাস্তবতা: আনন্দ ভ্রমণের প্রেক্ষাপটে একটি প্রাসঙ্গিক আলোচনা ভেড়ামারায় সোহেল রানা হত্যাকান্ডের মূলরহস্য উদঘাটন, বিজ্ঞ আদালতে আসামীর দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদকসেবী আটক, কারাদণ্ড প্রদান

“নরসিংদির মেয়ে খাদিজা পরকীয়া প্রেমে বড় ভাবি হাফসা’র সহযোগিতায় পবিত্র ঈদের দিন সকালে স্বামীর ঘর থেকে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে “

প্রতিবেদক বার্তা সম্পাদকঃ-দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ !
  • Update Time : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮০ Time View

গত শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন সকালে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায় নরসিংদী মেয়ে মোসাম্মৎ খাদিজা আক্তার,বযস আনুমানিক ১৮/১৯ – পিতা মৃত শামসুদ্দিন,মাতা,আজিরুন বেগম,গ্রাম আলীয়বাদ পর্ব পাড়া,আইয়বপুর ইউনিয়ন, থানা শিবপুর,জেলা নরসিংদী। কে গত দুইদিন ধরে অনেক খোঁজা খুজি করে কোথাও কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

স্বামী.সৈয়দ নুর আলম চৌধুরী (বাদশা) পিতা মৃত ডাঃ শাহ আলম চৌধুরী, মাতা নুর জাহান বেগম ,০৫ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন,থানা চাটখিল, জেলা নোয়াখালী। স্বামী সৈয়দ নুর আলম চৌধুরী দুই দিন বিভিন্ন স্থানে খোজা খুজির পর নিরুপায় হয়ে শশুর বাড়ীতে শাশুড়ী অর্থাৎ পলাতক খাদিজার মায়ের সাথে যোগাযোগ করে শাশুড়ীকে তার মেয়ের বিষয়ে জানান এবং শাশুড়ী আজিরুন বেগম, মেয়ের জামাই কে বলেন খাদিজা তো নরসিংদীতেও আসেনি এবং ওনার মেয়ে খাদিজার সাথে না-কি কয়েকদিন কোন প্রকার কোন যোগাযোগ নেই
তখন স্বামী নুর আলম চৌধুরী ও শাশুড়ী আজিরুন বেগম বলেন আম্মা আমি আপনাকে বিগত দুই বছর ধরে অনেবার বলেছি আপনার মেয়ের হাবভাব ভালো দেখছিনা আপনি একটু তাকে জিজ্ঞাসা করেন সে মোবাইলে কেন অন্য ছেলের সাথে সম্পর্ক করেছে আমি থাকতে তার কিসের অভাব সে কেন এ-সব করছে এবং তার এই অধঃপতনের মূল’ই হচ্ছে আপনার পুত্রবধূ হাফসা এবং আপনার ছোট ছেলে কামরুলের স্ত্রী,এদের বুদ্ধি ও এদের সহযোগিতায় আপনার মেয়ে আমার বাড়ি থেকে এর আগেও কয়েক বার পালিয়ে গেছে এভাবে আর কতদিন চলবে। আপনি বলেন বারবার আপনার মেয়ে আমার বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে কি করে কোথায় থাকে আর কেন এসব করে, শাশুড়ী উত্তরে বলেন এই যুগের মেয়েরা বর্তমানে মোবাইলে একটু দুষ্টামি করেই এটা কিছু না এই কথা বলেই মোবাইল ফোনের লাইন কেটে দেয়।

সাংবাদিকদরা মেয়ে জামাইকে সৈয়দ নুর আলম চৌধুরী বাদশা কে প্রশ্ন করে এখন আপনার স্ত্রী খাদিজার বিষয় আপনার বক্তব্য কি। উত্তরে মেয়ের জামাই সাংবাদিকদের বলেন আপনারা হচ্ছেন জাতির বিবেক সমাজের চক্ষ আমি আপনাদের মাধ্যমে সমগ্র দেশবাসী ও রাষ্ট্রীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ প্রশাসন সহ সুশীল সমাজের সকল মানুষের কাছে একটি কথা বলতে চাই ও আমার ছোট্ট দুটি মাসুম শিশু বাচ্চা পেলে রেখে সেই তার ভাইয়ের বৌদের কুবুদ্ধি ও প্ররোচনা এবং সহযোগিতার সে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে বারবার পালিয়ে যায় এবং কয়েক মাস আগে আমি রাজনৈতিক ভাবে উত্তী হিংসা মূল প্রতিপক্ষের মামলায় জেলে কিছু দিন জেলে ছিলাম এবং সেই সময়ও সে আমাকে না জানিয়ে আমার বাচ্চাদের কে নিয়ে আমার বাড়ি নোয়াখালী থেকে তার বাবার বাড়ি নরসিংদীতে চলে যায়।
সে ওখানে গিয়ে আমার ছোট ছোট বাচ্চাদের তার মেজো ভাই আরিফে বাসায় রেখে সে তার পরকীয়া প্রেমিকের কাছে গিয়ে এক সপ্তাহ থেকে আসে বিষয়টি আমি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছে বাড়ি আসার পর জানতে পারি। তারপরও আমার ছোট ছোট বাচ্চাদের মূখের দিকে তাকিয়ে সব কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে তাকে মেনে নিলাম। কিন্তু এবার পবিত্র ঈদের দিন সে তার জ্যাঠাতো ভাই ফরিদ উদ্দিন , পিতা আপতু ভূইয়া ও চাচাতো ভাই সাইফুল পিতা রইচ উদ্দিন এবং তার দুই ভাইয়ের বৌ’দের বুদ্ধি ও সহযোগিতা সে আমাকে ও আমার ছেলেদেরকে পেলে সে তার পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছে গেছে,তার জ্যাঠাতো ভাই ফরিদ উদ্দিন একটা শিষ্য সন্ত্রাসী আমি কিছুই বলতে চাইলে ফরিদ উদ্দিন তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার নির্মম অত্যাচার অবিচার করে কয়েকবার আমাকে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা করেছিল তাদের এলাকায়,এ-সব ঘটনার অনেক প্রমাণও আমার কাছে আছে আপনারা চাইলে আমি তা দেখাতে পারবো, তাই আমি একজন মুসলিম পরিবারের সন্তান আমি বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমি ও আমার বাচ্চাদের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই তাই আমি ও আমার ছেলেদের নিরাপত্তার জন্য এদের একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তা ব্যক্তি ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সহ সুশীল সমাজের সকলের কাছে একটাই দাবি আমার ছেলেদের মুখের দিকে তাকিয়ে আমাদের কে নিরাপত্তা দিন আমরা নিরাপদে সম্মানের সঙ্গে থাকতে চাই এবং খাদিজা ও তার পরকীয়া প্রেমিক এবং তার জ্যাঠাতো ভাই ফরিদ উদ্দিন,চাচাতো ভাই সাইফুল ও তার দুই ভাবিদের আইনের আওতায় এনে আমাদের বিচার করা হোক যাতে করে বাংলাদেশের কোন মেয়ে যে স্বামীর ঘর ছেড়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালাতে না পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই