1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে গেলেন শিবিরের ত্রাস শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ! - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: পুংগলী ইউনিয়ন মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠিত । খেতাবাঘা জামে মসজিদের এইচ বি বি করণ রাস্তার শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত। পাবনা’য় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর হাত পা বাঁধা স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার। ইউনূস ম্যাজিকে এখন বিশ্বের সপ্তম দুর্বল পাসপোর্ট বাংলাদেশের পিতার রাজনৈতিক বিরোধের বলি ১৭ বছরের রাকিব ইসলাম “”ভারত–আমেরিকার নতুন সমীকরণ: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে পরিবর্তনের শুরু কি তাহলে বাংলাদেশ দিয়ে হবে “” ফরিদপুরে জমি বিরোধে রক্তাক্ত পুঙ্গলীঃ হত্যার উদ্দেশ্যে হামলায় তিন নারী গুরুতর আহত ইরানে গুলিবিদ্ধ রোগী উপচে পড়ছে হাসপাতাল, বাইরে দেহের স্তূপ! দেশবাসীকে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে গেলেন শিবিরের ত্রাস শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ!

রিপোর্ট :-দৈনিক বাংলার মুক্তকন্ঠ-??
  • Update Time : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৫৭৯ Time View

গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে গেলেন শিবিরের ত্রাস শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ!

রিপোর্ট :-দৈনিক বাংলার মুক্তকন্ঠ-?? পুলিশের অভিযান আঁচ করতে পেরে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে গেলেন চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী শিবিরের ত্রাস সাজ্জাদ হোসেন। গত বুধবার রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার অক্সিজেন এলাকায় সাজ্জাদকে গ্রেপ্তারে সাড়াশি অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযান পরিচালনায় সাজ্জাদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন দুজন। বর্তমানে তাঁরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার স্হানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জোড়া খুনসহ ১০ মামলার আসামি সাজ্জাদ হোসেনকে পুলিশ গত বুধবার রাতে অক্সিজেন এলাকার একটি বাসায় অভিযানে যান। তবে পুলিশের অভিযান আঁচ করতে পেরে সাজ্জাদ গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যান। তাঁর ছোড়া গুলিতে স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ জাবেদ ও সিটি ব্যাংকের একটি এটিএম বুথের নিরাপত্তাকর্মী কাজল কান্তি দে গুলিবিদ্ধ হন। গোলাগুলির ঘটনার পর পুলিশের সোয়াট দল আসে ঘটনাস্থলে। কিন্তু সাজ্জাদকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ওই বাসা থেকে সাজ্জাদের স্ত্রী তামান্না বেগম, দুই যুবকসহ তিনজনকে আটক করা হয়। এ বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) রইছ উদ্দিন বলেন, সন্ত্রাসী সাজ্জাদকে ধরতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, অক্সিজেন এলাকার একটি বাসায় অবস্থান করছেন সাজ্জাদ। তাঁকে ধরতে পুলিশ অভিযানে গেলে তিনি এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যান। তাঁর ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন দুজন। এদিকে সন্ত্রাসী সাজ্জাদ ধরা না পড়ায় নগরের বায়েজিদ বোস্তামী, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানার প্রায় তিন চার লাখ বাসিন্দা আতঙ্কে রয়েছেন। এলাকায় তাঁর চাঁদা দাবির বিষয়টি অনেকটা প্রকাশ্যেই চলে আসছে। মূলত নির্মাণাধীন ভবন, শিল্প কারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত মাসোহারা চাঁদা তোলেন এই সন্ত্রাসী। সাজ্জাদ হোসেন বিদেশে পলাতক ‘শিবির ক্যাডার’ হিসেবে পরিচিত আরেক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেনের অনুসারী। অপরাধজগতে পা রেখে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে ওঠেন সাজ্জাদ। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজির ১০টি মামলা রয়েছে। গত ১৭ জুলাই চান্দগাঁও থানা-পুলিশ অস্ত্রসহ সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে। পরের মাসে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন। বায়েজিদ বোস্তামী থানা-সংলগ্ন হাটহাজারীর শিকারপুরের মো. জামালের ছেলে তিনি।
নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার অক্সিজেন অনন্যা, শীতলঝর্ণা, কালারপুল, বায়েজিদ থানার সীমান্তবর্তী হাটহাজারীর কুয়াইশ, নগরের চান্দগাঁও হাজীরপুল ও পাঁচলাইশ এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জনের বাহিনী নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালান সাজ্জাদ। পুলিশ ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাঁদা না পেলেই সাজ্জাদ গুলি করেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর বায়েজিদ কালারপুল এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে চাঁদা না পেয়ে তিনি গুলি করেন। ৬০ জন ব্যক্তি মিলে ভবনটি নির্মাণ করছেন। স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, ভবন মালিকদের সাজ্জাদকে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হয়েছে।
এর আগে গত ৫ জুলাই বায়েজিদ থানার বুলিয়াপাড়া এলাকায় একটি বাসা লক্ষ করে গুলি করেন সাজ্জাদ ও তাঁর সহযোগীরা। এ ঘটনার ভুক্তভোগী মো. ইকবাল বলেন, ‘এলাকায় এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার প্রতিবাদ করায় সাজ্জাদ আমার বাড়ি লক্ষ করে কয়েক রাউন্ড গুলি করেন।’ এ ঘটনায় ইকবাল বাদী হয়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলা করেন। চাঁদা না পেয়ে গত বছরের ২৭ অক্টোবর নগরের চান্দগাঁও হাজীরপুল এলাকায় মো. হাছান নামের এক ঠিকাদারের বাসা লক্ষ করেও গুলি করেন সাজ্জাদ। এ ঘটনায় হাছান বাদী হয়ে চান্দগাঁও থানায় মামলা করেছেন। গত ২১ অক্টোবর নগরের চান্দগাঁওয়ের শমসেরপাড়া এলাকায় আফতাব উদ্দিন নামের এক বালু ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও নিহতের পরিবার বলছে, সাজ্জাদ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের করা মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে গত ২৯ আগস্ট নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার অনন্যা আবাসিক ও বায়েজিদ সীমানা-সংলগ্ন কুয়াইশ এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয় মো. আনিস ও মাসুদ কায়সার নামের দুই যুবলীগ নেতাকে। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয় বায়েজিদ ও হাটহাজারী থানায়। পুলিশ বলছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ব্যবসা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরেই এ খুন হয়। দুটিতে সাজ্জাদ ও তাঁর সহযোগীদের আসামি করা হয়। আসামিরা ধরা না পড়ায় আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানান নিহত মাসুদ কায়সারের ভাই মো. আরিফ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই