1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
সংষ্কার এর নামে অরাজকতা সৃষ্টি কারীদের কে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নরসিংদীর শিলমান্দী ইউনিয়নের সাবেক মহিলা সদস্য সেলিনা বেগমকে ঘিরে নানা আলোচনা “রাজপথে ছিলাম আমরা, পদ পাচ্ছে ওরা”-সেনবাগ ছাত্রদলে ক্ষোভের আগুন নড়াইল সদরে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার নরসিংদী ডিভি পুলিশের অভিযানে আন্তঃ জেলা মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের সদস্য আটক! ঝিনাইদহে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ। ঝালকাঠিতে সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম নড়াইলে সয়াবিন তেলের বোতলে অতিরিক্ত মূল্য: এ.জে কনজ্যুমার প্রোডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়বদ্ধতা ও বাস্তবতা: আনন্দ ভ্রমণের প্রেক্ষাপটে একটি প্রাসঙ্গিক আলোচনা ভেড়ামারায় সোহেল রানা হত্যাকান্ডের মূলরহস্য উদঘাটন, বিজ্ঞ আদালতে আসামীর দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদকসেবী আটক, কারাদণ্ড প্রদান

সংষ্কার এর নামে অরাজকতা সৃষ্টি কারীদের কে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী

মোহন আলী স্টাফ রিপোর্টার -
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৪২ Time View

সংষ্কার এর নামে অরাজকতা সৃষ্টি কারীদের কে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী

— ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা

মোহন আলী স্টাফ রিপোর্টার –

ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা বলেন, সংষ্কার এর নামে আমরা আজ কোন পথে? চারিদিকে যা ঘটছে তাতে মনে হচ্ছে না দেশে আইনের শাসন আছে। যার যা ইচ্ছে তাই করছে। প্রশাসনের হাত থেকে ও মানুষ কে ছিনিয়ে নেওয়ার মত ন্যাককার জনক ঘটনা ঘটনার পাওয়া গেছে যা দুঃখ জনক। অপরদিকে বাজার সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজ, দখলবাজদের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে সরকার কে সহায়তা না করে বরং উল্টো সরকার কে বেকায়দায় ফেলতে জনসাধারণের নিরাপত্তা ইত্যাদির চিন্তা না করে কতিপয় কুচক্রী মহল অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, গণপিটুনি, কোমলমতি শিশুদের কাজে লাগিয়ে শিক্ষকদের লাঞ্চিত করার পর জাতীয় সংগীত পরিবর্তন, মাজার ভাঙা ইত্যাদি ইসু নিয়ে ব্যস্ত না হয়ে প্রকৃত দেশ সংষ্কার এর চিন্তা করুন। দেশের মানুষের শান্তির কথা ভাবুন। দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে এনে সবার পেটের ভাতের চিন্তা করুন। ব্যবসায়ীদের স্বাধীন ভাবে ব্যবসা করার পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। মানুষ কে শান্তি তে ঘুমানোর পদক্ষেপ নিন। অনেকটা ফরজ ওয়াজিব সুন্নতের মত প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে চিন্তা নেই কিন্তু ব্যক্তিস্বার্থ কে প্রতিহিংসায় রুপান্তরিত করতে কে কাফের, কে জঙ্গি, কে পুজারী ইত্যাদি নিয়ে উস্কানিমূলক কথাবার্তায় ব্যস্ত,,। মোস্তাহাবের মত ( যেটা এই সংকটময় মুহূর্তে প্রয়োজন নয়) নিয়ে ব্যস্ত এটা কেমন কথা? সবার আগে দেশ সংষ্কার এর মৌলিক বিষয় গুলো নিয়ে ভাবুন। ফালতু ফেতনা সৃষ্টি না করার অনুরোধ জানাচ্ছি। দেশকে নতুন রুপে গড়তে সুচিন্তা করুন। সবার আগে জনস্বার্থে মানুষের মৌলিক অধিকার গুলো প্রতিষ্ঠা নিয়ে ভাবুন এবং সেই মত কাজ করুন এবং সরকার কে সার্বিকভাবে সহায়তা করুন। জরুরী মুহূর্তে উস্কানিমূলক কথাবার্তা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এমন কাজ থেকে বৃহৎ স্বার্থে বিরত থাকুন। দেশকে সঠিক ভাবে গড়তে সরকার কে সহায়তা করুন।
দৈনিক আজ বেলা পত্রিকায় বিশিষ্ট কলামিস্ট ব্যাংকার ইমরান হোসেন এর সংষ্কার মন্তব্য প্রতিবেদনে তিনি লিখেছেন – ইংরেজি Reform শব্দের আভিধানিক বাংলা অর্থ হল সংস্কার করা, সংশোধন করা, পুনরায় গঠন করা, সংশোধিত করা বা উন্নত করা।
Cambridge Dictionary তে বলা হয়েছে, Reform means to make an improvement specially by changing a person behaviour aur da structure of something. এখানে বিশেষ করে ব্যক্তিক আচরণের পরিবর্তনের উপরে জোর দেয়া হয়েছে।
গত ৫ সেপ্টেম্বর ছিল ছাত্র জনতার স্বাধীনতার একমাস পূর্তি। সোশ্যাল মিডিয়াসহ পত্রপত্রিকার পাতায় বিষয়টি নিয়ে খুবই মাতামাতি হয়েছে যা নজর কাড়ার মত।
কিন্তু গত এক মাসে আমাদের সংস্কার বলতে কি হয়েছে? যা আমার নজরে এসেছে তার সামান্য ফিরিস্তি দিলাম –
এক কথায় বলতে গেলে একদল দীর্ঘদিন শাসন করেছে তাদের অনেক ভুল ভ্রান্তি ছিল এবং ভুলের মাত্রা এত বেশি ছিল যে তাদের শাস্তি তারা হাড়ে হাড়ে পাচ্ছে। মজার ব্যাপারটা হল অন্য দল ক্ষমতায় এখনো আসতে পারেনি আসবে কিনা এখনো সন্দেহ রয়েছে কিন্তু জুলুম অত্যাচারের মাত্রা পূর্বের তুলনায় কোন অংশে কম নয়। মানে কি দাঁড়ালো বিষ ঠিকই আছে শুধু বোতলটা পরিবর্তন হয়েছে।
ইমরান হোসেন আরো বলেন, আমার এই লেখা পড়ে অনেক দলকানারা বলবে এই চেতনা এতদিন কোথায় ছিল।
এর উত্তরে আমি বলব আপনাদের মতে তখন ছিলাম পরাধীন এখন স্বাধীন হয়েছি তাই লিখছি।
ছোট্ট একটি ঘটনা বলে শেষ করছি- একটি গ্রামের ঘটনা যদিও এখন এই ঘটনা চলছে ৬৮ হাজার গ্রাম বাংলায়। একজন মানুষ নৌকায় ভোট দিত। তার ৭৬ বছরের জীবদ্দশায় তিনি কাউকে একটা চড় থাপ্পর দেওয়া তো দূরের কথা কখনো কারো সাথে জোরে কথা বলেনি। সেই বয়স্ক হার্টের রিং পরানো মানুষটাকে শুধু নৌকায় ভোট দেওয়ার অপরাধে কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী তাকে বেদমভাবে প্রহার করে। বয়স্ক লোকের সাথে যে দুর্ব্যবহার হল এই দায় কার? এই দায় কি রাষ্ট্রের নাকি সমন্বয়কদের ? এই দায় আসলে কে নিবে?

মন্তব্য – উক্ত লেখা এবং ইমরান হোসেন এর সংষ্কার মন্তব্য প্রতিবেদন লেখা টা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। আমরা আর কোন স্বৈরাচার শাসক চাই না। জনগণের কল্যাণার্থে জনগণের প্রকৃত সেবক এবং জনবান্ধব সরকার চাই। প্রতিহিংসা পরায়ন না হয়ে, ব্যক্তিস্বার্থ নিয়ে না ভেবে দেশের মানুষের জন্য ভাবুন। ছোট খাটো বিষয় নিয়ে না বিরোধ সৃষ্টি না করে দেশের ও দশের স্বার্থে সবার শান্তি রক্ষায় দেশের সংষ্কার নিয়ে ভাবুন! সংষ্কারে সরকার কে সার্বিক সহায়তা করুন এবং যারা সংষ্কার এর নামে অরাজকতা সৃষ্টি করে চলেছে তাদেরকে তদন্ত সাপেক্ষ অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই