1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুর অগ্নি সংযোগ লুটপাট মাদার কেয়ার স্কুল এন্ড কলেজ - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর হাটের টোল রেট পুনঃনির্ধারণের দাবি, জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীতে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার-২ সাংবাদিকদের সম্মানে শ্রীমঙ্গল থানার ইফতার মাহফিল ঝিনাইদহ জামায়াতের ইফতার মাহফিল ও ঐক্যের ডাক। জীবিত থেকেও সরকারী খাতায় মৃত,তিন বছর বয়স্কভাতা থেকে বঞ্চিত ৮৯ বছর বয়স্ক বিদ্যা। নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার “বাংলাদেশে দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ও জনাব মির্জা আব্বাস সাহেব একে অপরের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা হারাননি” পাটগ্রামে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইউপি সদস্যের হামলায় সাংবাদিক আহত নড়াগাতীতে সংখ্যালঘু শিশু ধর্ষণের শিকার, থানায় মামলা দায়ের? ” কবিতা মুখোশ “

শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুর অগ্নি সংযোগ লুটপাট মাদার কেয়ার স্কুল এন্ড কলেজ

সৈয়দ নুর আলম বাদশা বার্তা সম্পাদকঃ দৈনিক বাংলার মুক্তকন্ঠ সংবাদ।
  • Update Time : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৩৭ Time View

শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুর অগ্নি সংযোগ লুটপাট মাদার কেয়ার স্কুল এন্ড কলেজ

সৈয়দ নুর আলম বাদশা
বার্তা সম্পাদকঃ
দৈনিক বাংলার মুক্তকন্ঠ সংবাদ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়লে গত ৫ আগস্ট বিকেলে নওগাঁর রানীনগরে উত্তেজিত জনতা বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর-লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। সেদিন মাদার কেয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের জানালা, দরজা, চেয়ার, টেবিল, কম্পিউটারসহ আসবাব ভাঙচুর করে লুটপাট করা হয়। ফলে ওই স্কুলের পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছেন অভিভাবক ও শিক্ষকরা। জানা গেছে, ২০১৫ সালে উপজেলা সদরের রানীনগর প্রেস ক্লাব মোড়ে স্থানীয় কিছু শিক্ষানুরাগী ও সুশীল সমাজের পরামর্শে তৎকালীন নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রয়াত ইসরাফিল আলম মাদার কেয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা এরই মধ্যে সুনামের সঙ্গে পাঠদান করার কারণে সরকারিভাবে পাঠদানের অনুমতিও পেয়েছে। শুরুতেই প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান চললেও সংসদ সদস্যের মৃত্যুর পর কলেজ পর্যন্ত উন্নতি করা সম্ভব হয়নি।বর্তমানে পাঠদান বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। লুটপাট আর ভাঙচুরের আতঙ্কের কারণে অভিভাবকরা তার সন্তানদের অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তির চিন্তা করছেন।ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা রহিমা খাতুন জানান, প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকেই আমি এই স্কুলে শিক্ষকতা করছি। গত ৫ আগস্ট ভাঙচুর আর লুটপাটে এই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০টি চেয়ার, ৮৫টি টেবিল, ২৫টি ফ্যান, ১৩টি জানালা, একটি দরজা, একটি কম্পিউটারসহ অন্যান্য আসবাব নিয়ে যায়। স্কুলটি বন্ধ থাকার কারণে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ যেমন অনিশ্চিত, আমরাও কর্মহীন হয়ে পড়েছি। দ্রুত এর একটি সুষ্ঠু সমাধানের দাবি করছি।মাদার কেয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন জানান, ৫ আগস্ট ভাঙচুর ও লুটপাটের কারণে প্রতিষ্ঠানটি আপাতত বন্ধ আছে। শিক্ষার্থীদের চিন্তা মাথায় নিয়ে অন্য কোনো ভবনে পাঠদান শুরু করার ব্যবস্থা করা হবে।উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, যেহেতু ওই স্কুলটি আমাদের আওতাভুক্ত নয়; তাই ওই বিদ্যালয়ে কী ধরনের সমস্যায় পাঠদান বন্ধ আছে, তা আমার জানা নেই।
নওগাঁ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই