1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
"বাংলাদেশে দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ও জনাব মির্জা আব্বাস সাহেব একে অপরের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা হারাননি" - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নড়াইলের লোহাগড়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক, স্বামী গ্রেপ্তার রাজবাড়ীর কালুখালীতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা ৯ নং পোড়াহাটি ইউনিয়ন মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য “কেন্দুয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন করলেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডঃ রফিকুল ইসলাম হিলালী” জনপ্রতিনিধিদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন: ‘শুধু সাংবাদিকদের কেন? লেখক: মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী, সভাপতি, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি, কেন্দ্রীয় কমিটি। গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সেনবাগ বাজারে ফুটপাত ও সড়ক যেন ব্যবসায়ীদের শোরুম, জিম্মি পথচারীরা নড়াইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ বীরগঞ্জে কাশিমনগর বাঁধ ও কাচারিপাড়া ওয়াবদা পাড় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম নড়াইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

“বাংলাদেশে দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ও জনাব মির্জা আব্বাস সাহেব একে অপরের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা হারাননি”

প্রতিবেদক,প্রকাশক ও সম্পাদকঃ-দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ !
  • Update Time : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১২০ Time View

আমরা কি ক্রমশ রাজনৈতিক শিষ্টাচার ভুলে যাচ্ছি? আমাদের চোখের সামনেই তো এমন উদাহরণ ছিল যেখানে দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ও জনাব মির্জা আব্বাস সাহেব একে অপরের প্রতি সম্মান হারাননি। তাঁদের সেই সৌজন্যবোধের গল্পগুলো আজ এই অস্থির সময়ে বারবার মনে পড়ছে।

তাঁরা দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে একই আসনে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। ১৯৯৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে লড়েছেন, কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল অটুট। ২০১৮ সালের একটি স্মৃতি অনেকেরই মনে থাকার কথা—বনশ্রীতে একটি জানাজায় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে সাবের হোসেন চৌধুরী পরম মমতায় নিজের ছাতাটি মির্জা আব্বাস সাহেবের মাথার ওপর ধরেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি এমন বিরল সম্মান আজ কল্পনাই করা যায় না।

এমনকি ২০১৪ সালে পারিবারিক শোকের মুহূর্তেও মির্জা আব্বাস সাহেবকে পাশে পাওয়া গিয়েছিল। রাজনৈতিক বিভেদ থাকলেও তখন একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় ছিল স্বাভাবিক শিষ্টাচার। ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত কত চড়াই-উতরাই আমরা দেখেছি, কিন্তু সামাজিক বন্ধন এমনভাবে কখনও আলগা হয়নি।

কিন্তু জুলাই-পরবর্তী সময়ে ‘বাক স্বাধীনতার’ নামে যে অশ্লীলতা, মব জাস্টিস, বিচারক ও শিক্ষকদের প্রতি অশ্রদ্ধা এবং অরাজকতা আমরা দেখছি, তা বড্ড ভাবিয়ে তোলে। আমরা যদি এখন শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি আর বিশৃঙ্খলার দিকে পা বাড়াই, তবে ভালো মানুষ হিসেবে আমরা কতটুকু দাবি করতে পারি নিজেদের?

আইন আছে, আদালত আছে; কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনি পথে বিচার হোক। কিন্তু যেভাবে মির্জা আব্বাস সাহেবের মতো জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিত্বদের মানহানিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি করা হচ্ছে, তা সত্যিই দুঃখজনক এবং অমার্জনীয়।

মির্জা আব্বাস ভাই ফিরে আসুন । অসভ‍্যদের মাথায় তুলেছেন এর পরিনাম ভোগ করছেন- এর বেশি কিছু না। সবকিছুর পরেও বলবো ফিরে আসুন। অসভ‍্যদের বিপরীতে অন্তত সভ‍্যতার রাজনীতির জন‍্য!

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই