1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
বিএনপি নেতার হাতে নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম ! - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
“সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম: স্বাধীনতা, নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহিতার সমন্বিত কাঠামো”–প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। নরসিংদীর মাধবদী খৈনমুর্দীতে মাদক বিরোধী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি “বিশ্বাসযোগ্য সংবাদই গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় সম্পদ” — প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের” জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির জনসচেতনতা মূলুক মাদক বিরোধী আলোচনা সভা। মাধবদীতে মাদকবিরোধী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি কালীগঞ্জের শিশু তাবাসসুম ধর্ষন ও হত্যা মামলা আসামীর ফাঁসির আদেশ ও পাঁচ লাখ টাকার জরিমানা “কেন্দুয়ায় মাদক, জুয়া,ইভটিজিং প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত” ১৩৪ বোতল এসকাফ সিরাপ, ৪ কেজি গাঁজা ও বিশেষ ট্যাংকিসহ ২ মাদক কারবারি ভেড়ামারা থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার। ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে চাটখিল থানা পুলিশ নড়াইলে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বিএনপি নেতার হাতে নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম !

প্রতিবেদক বার্তা সম্পাদকঃ-দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ !
  • Update Time : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১৯৭ Time View

বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম!

যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় সোমা সাহা (৩৮) নামে এক গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বনানী রোড এলাকায় এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সোমা সাহা ওই এলাকার অখিল কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী এবং বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সোমা সাহার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে সে কাঠের লাঠি দিয়ে সোমা সাহার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে—বিএনপির পুরনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ রাজনীতি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদা দাবি করা এবং হামলা চালানো যেন তাদের পুরোনো কৌশলই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বাংলাদেশ একসময় দেখেছে বিএনপির সেই অন্ধকার শাসনামল, যখন সংখ্যালঘু পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত হামলা, লুটপাট ও নির্যাতনের শিকার হতো। আজ যশোরের এই ঘটনা সেই ভয়াবহ সময়ের কথাই আবার মনে করিয়ে দিচ্ছে।

দেশ কি আবার সেই সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর সংখ্যালঘু নির্যাতনের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে? যশোরের এই হামলা শুধু একটি পরিবারের ওপর আক্রমণ নয়, এটি আইনের শাসন ও মানবিক নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই