1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের কারণে পুলিশের টহল বন্ধ হলে পুলিশকে কি সাইকেল কিনে দেওয়া হবে ? - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নিরব হত্যা ও বৈষম্যবিরোধী নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধ ঝালকাঠিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিনিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত গুরুদাসপুর–বড়াইগ্রাম সীমান্তে আইরমারি ব্রিজের নিচে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও সেবাখাতে স্বেচ্ছাচারিতা প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে নির্বাহী অফিসারের মতবিনিময় ! ঈদ মোবারক,, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের জানাচ্ছি,পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, ঈদ মোবারক !! হৃদয়ে শ্রীমঙ্গলের উদ্যোগে ১৫৫০ পরিবারের মাঝে রমজানের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন সকল নেতাকর্মী এবং সম্মানিত সহযোদ্ধাগণ সকলের প্রতি রইলো সালাম ও মুজিবীয় শুভেচ্ছা। নরসিংদীর ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ আলমগীর হোসেন ভাই অবসরে গেলেন কমলনগরে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির ইফতার আয়োজন।  ইউনুসীয় সংস্কারের সরকার, লুটের হিসাব : ১৪৭০ কোটির ওয়ার্ক অর্ডার, তহবিলে ২৫ কোটি

বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের কারণে পুলিশের টহল বন্ধ হলে পুলিশকে কি সাইকেল কিনে দেওয়া হবে ?

প্রতিবেদ বার্তা সম্পাদক:- দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ ??
  • Update Time : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ২০ Time View

বাংলাদেশে এখন পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে রেশনিং করে। বিপিসি ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রির সীমা বেঁধে দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ লেগেছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ, তেলের দাম লাফিয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের টহল গাড়ি জ্বালানির অভাবে থেমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা

 

তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টহল কমলে ভাসমান অপরাধীরা মাথাচাড়া দেবে। সারা দেশে এক লাখ পাঁচ হাজারের মতো এই শ্রেণির অপরাধী ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে যখন কথা উঠছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে পড়ে যায় ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে যে নির্বাচন হলো সেটার কথা। দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের বয়কটের মুখে, কার্যত নিজেরা নিজেরা একটা পাতানো ভোটের আয়োজন করে যে দল ক্ষমতায় এলো এবং যে তথাকথিত মন্ত্রিপরিষদ এখন দেশ চালাচ্ছে, তাদের কাছ থেকে এই সংকট মোকাবেলায় কোনো বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা আশা করা যাচ্ছে না।

বিএনপির জন্মই সেনানিবাসে। জিয়াউর রহমান যে দল বানিয়েছিলেন সেটার ভিত্তিতে কখনো গণতন্ত্র ছিল না, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ছিল না। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে তারা যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন দেশে কী হয়েছিল সেটা মানুষ ভোলেনি। সেই পাঁচ বছর ছিল সিস্টেমেটিক লুটপাট, হাওয়া ভবনের ছায়াশাসন, সংখ্যালঘু নির্যাতন, বোমা-গ্রেনেডের রাজনীতি আর দুর্নীতির এমন মহোৎসব যা বাংলাদেশকে পরপর পাঁচবার বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তকমা পরিয়ে দিয়েছিল। সেই দলটাই এখন আবার ক্ষমতার কেন্দ্রে।

এখন জ্বালানি সংকটে পুলিশ যদি টহল দিতে না পারে, তাহলে মানুষের নিরাপত্তা কে দেবে? এই প্রশ্নের উত্তর বর্তমান সরকারের কাছে নেই। কারণ দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা এই রাজনৈতিক চরিত্রের মধ্যে কখনো ছিল না। রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় আগে থেকে জ্বালানি মজুদ রাখা, পুলিশের টহল কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া, এই মৌলিক কাজগুলো করার সদিচ্ছা যদি থাকত, তাহলে এই শঙ্কার কথা বিশেষজ্ঞদের মুখ থেকে এভাবে বেরোত না।

এমন পরিস্থিতিতে পুলিশদের জন্য একটাই পরামর্শ মাথায় আসছে। ওনাদের সাইকেল কিনে দেওয়া হোক। শারীরিক ব্যায়াম হবে, দেশের জ্বালানিও বাঁচবে। ২০০১ সালে বিএনপি যে বাংলাদেশ রেখে গিয়েছিল, সেই বাংলাদেশে ফিরে যেতে যদি এই সরকার মরিয়া হয়ে থাকে, তাহলে সাইকেলে টহল দেওয়াটা আসলে খুব একটা অসামঞ্জস্যপূর্ণও হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই