1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
চরফ্যাশনে ডিলার নিয়োগে আবেদন ফি না থাকলেও আদায় ৭ লাখ।। - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নরসিংদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার ৪ সাঁথিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন কমলনগরে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা বর্ষবরণ উদযাপন বাংলাদেশে ভয়াবহ ৫ আগস্টে নবম পদাতিক ডিভিশনকে কেন থামিয়ে রাখা হয়েছিল? সৌদি থেকে ফেরার পরই গ্রেপ্তার চাটখিলের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা স্বপন পরিবারে দাবি হত্যা,আরব আমিরাতে বাংলাদেশী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার খোঁজ মিলছে না মাদ্রাসা ছাত্রের, উদ্বিগ্ন পরিবার কমলনগরে বাজারের চুরি ঠেকাতে ব্যবসায়িদের মানববন্ধন সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে শতকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ: আলোচনায় আসিফ নজরুল, নেপথ্যে রমজান-মাইকেল সিন্ডিকেট নোয়াখালীতে ফাঁকা বাড়িতে আমগাছে ঝুলন্ত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার

চরফ্যাশনে ডিলার নিয়োগে আবেদন ফি না থাকলেও আদায় ৭ লাখ।।

মোঃআবু ইউসুফ চরফ্যাশন উপজেলা প্রতিনিধি।।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৭ Time View

চরফ্যাশনে ডিলার নিয়োগে আবেদন ফি না থাকলেও আদায় ৭ লাখ।।

মোঃআবু ইউসুফ চরফ্যাশন উপজেলা প্রতিনিধি।।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী পরিচালনার জন্য ডিলার নিয়োগের নামে আবেদন প্রতি দুই হাজার টাকা নিয়েছেন ভোলার চরফ্যাসন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু বকর সিদ্দিক। খাদ্য-শস্য লাইসেন্স ও স্ট্যাম্প বাবত দুই হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। খাদ্য-শস্য লাইসেন্সের নমুনা কপি দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে পারেনি।তবে খদ্যবান্ধব কর্মসূচী পরিচালনার জন্য ডিলার নিয়োগের আবেদন জমা থেকে শুরু করে যাচাই-বাচাই করা পর্যন্ত কোন ধরনের সরকারি ফি নির্ধারণ করা হয়নি। এমনকি খাদ্য-শস্য লাইসেন্স এর প্রয়োজন নাই। এমনটাই জানিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. এহসানুল হক।চরফ্যাসন উপজেলাধীন ২১টি ইউনিয়ন থেকে ৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৩৫৩টি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু বকর সিদ্দিক। তবে একাধিক অবেদনকারী বলেছেন আট শতাধিক আবেদনপত্র জমা পড়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে কার্যালয়ে গিয়ে ডিলার আবেদন রেজিস্ট্রার বহি দেখতে চাইলে দেখানো যাবেনা বলে সাফ জানিয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নির্বাচিত ডিলার ব্যতিত অন্য আবেদনকারীদের থেকে আদায়কৃত অর্থ ফেরত দেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, ‘তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।এদিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১৯ আগস্ট, ২০২৪ ইং তারিখের ১৫৫ নং স্মারকের নির্দেশনা অনুযায়ী চরফ্যাসন উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও বিক্রয় কেন্দ্রের অনুকূলে খদ্যবান্ধব কর্মসূচী পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ অস্থায়ীভাবে ডিলার নিয়োগ করা হবে মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে চরফ্যাসন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আবেদনকারী জানান, গণহারে আবেদন জমা নিয়েছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ। শতকরা ৯৫ শতাংশ আবেদনকারীর ট্রেড লাইসেন্স ভুয়া এবং আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্য সঠিক নয়। অনেকের দোকান ও গুদামঘর নাই। এমনকি আর্থিক সচ্ছলতার সনদও জাল।চরফ্যাসন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘আবেদন প্রতি ২ হাজার টাকা নিয়েছি। এটা মূলত ১ হাজার ৫০০ টাকা খাদ্য-শস্য লাইসেন্স বাবত ও ৫০০ টাকা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের জন্য নেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত ডিলারগণকে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় থেকে লাইসেন্স দেওয়া হবে। অনেক আবেদনকারীর আবেদনের সাথে সংযুক্ত ট্রেডলাইসেন্স ও নাগরিকত্ব সনদ ৫ আগস্টের পরের তারিখে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সীলমোহরসহ সই করা। প্রাথমিকভাবে বুঝা যাচ্ছে সীলমোহর ও সই কপি করা হয়েছে। এজন্য সেগুলো বাতিল করা হবে।পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চরফ্যাসন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু বকর সিদ্দিক এর তথ্যমতে ৩৫৩টি আবেদন ২ হাজার টাকা করে হলে তাতে ৭ লক্ষ ৬ হাজার টাকা জমা হয়েছে।এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. এহসানুল হক মুঠোফোনে বলেন, ‘খদ্যবান্ধব কর্মসূচী পরিচালনার জন্য ডিলার নিয়োগের আবেদন থেকে শুরু করে যাচাই-বাচাই করা পর্যন্ত কোন ধরনের সরকারি ফি নির্ধারণ করা হয়নি। এমনকি খাদ্য-শস্য লাইসেন্স এর প্রয়োজন নাই। তবে কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত ডিলারগণ ২০ হাজার টাকা জামানত হিসাবে পে-অর্ডার আকারে তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গিকারনামা দিতে হবে।চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নওরীন হক মুঠোফোনে বলেন, ‘চরফ্যাসন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু বকর সিদ্দিক একজন সৎ অফিসার। তিনি যেটা বলেছেন সেটা সঠিক।’
বরিশাল আঞ্চলিক রক্ষনাবেক্ষণ কর্মকর্তা আবদুল মন্নান বলেন, ‘ডিলার আবেদন করতে কোন ফি এর প্রয়োজন নেই। যারা খাদ্য-শস্য ব্যবসায়ী তাদের ফুড গ্রেড লাইসেন্স নিতে হয়। লাইসেন্স ফি কত আমার জানা নাই। তবে লাইসেন্স ফি ব্যাংক চালান এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। নগদ টাকা নেওয়া বেআইনি। যদি কোন আবেদনকরীর থেকে লাইসেন্স ফি বাবদ নগদ টাকা নিয়ে থাকে তাহলে ব্যাংকের জমা স্লিপ দিতে হবে। অন্যথায় সরকারি কোষাগারে টাকা জমা হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই