1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
"বাংলাদেশে দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ও জনাব মির্জা আব্বাস সাহেব একে অপরের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা হারাননি" - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঝিনাইদহ জামায়াতের ইফতার মাহফিল ও ঐক্যের ডাক। জীবিত থেকেও সরকারী খাতায় মৃত,তিন বছর বয়স্কভাতা থেকে বঞ্চিত ৮৯ বছর বয়স্ক বিদ্যা। নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার “বাংলাদেশে দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ও জনাব মির্জা আব্বাস সাহেব একে অপরের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা হারাননি” পাটগ্রামে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইউপি সদস্যের হামলায় সাংবাদিক আহত নড়াগাতীতে সংখ্যালঘু শিশু ধর্ষণের শিকার, থানায় মামলা দায়ের? ” কবিতা মুখোশ “ বাংলাদেশে বিএনপির রাজনীতিতে মির্জা আব্বাসকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ কাহারো নেই ? ঢাকায় সেনবাগ ৫নং ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আজ নোয়াখালীতে টেন্ডার বক্সে জোর করে সিডিউল জমা,জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল নেতার কারাদণ্ড ?

“বাংলাদেশে দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ও জনাব মির্জা আব্বাস সাহেব একে অপরের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা হারাননি”

প্রতিবেদক,প্রকাশক ও সম্পাদকঃ-দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ !
  • Update Time : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৫ Time View

আমরা কি ক্রমশ রাজনৈতিক শিষ্টাচার ভুলে যাচ্ছি? আমাদের চোখের সামনেই তো এমন উদাহরণ ছিল যেখানে দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ও জনাব মির্জা আব্বাস সাহেব একে অপরের প্রতি সম্মান হারাননি। তাঁদের সেই সৌজন্যবোধের গল্পগুলো আজ এই অস্থির সময়ে বারবার মনে পড়ছে।

তাঁরা দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে একই আসনে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। ১৯৯৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে লড়েছেন, কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল অটুট। ২০১৮ সালের একটি স্মৃতি অনেকেরই মনে থাকার কথা—বনশ্রীতে একটি জানাজায় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে সাবের হোসেন চৌধুরী পরম মমতায় নিজের ছাতাটি মির্জা আব্বাস সাহেবের মাথার ওপর ধরেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি এমন বিরল সম্মান আজ কল্পনাই করা যায় না।

এমনকি ২০১৪ সালে পারিবারিক শোকের মুহূর্তেও মির্জা আব্বাস সাহেবকে পাশে পাওয়া গিয়েছিল। রাজনৈতিক বিভেদ থাকলেও তখন একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় ছিল স্বাভাবিক শিষ্টাচার। ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত কত চড়াই-উতরাই আমরা দেখেছি, কিন্তু সামাজিক বন্ধন এমনভাবে কখনও আলগা হয়নি।

কিন্তু জুলাই-পরবর্তী সময়ে ‘বাক স্বাধীনতার’ নামে যে অশ্লীলতা, মব জাস্টিস, বিচারক ও শিক্ষকদের প্রতি অশ্রদ্ধা এবং অরাজকতা আমরা দেখছি, তা বড্ড ভাবিয়ে তোলে। আমরা যদি এখন শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি আর বিশৃঙ্খলার দিকে পা বাড়াই, তবে ভালো মানুষ হিসেবে আমরা কতটুকু দাবি করতে পারি নিজেদের?

আইন আছে, আদালত আছে; কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনি পথে বিচার হোক। কিন্তু যেভাবে মির্জা আব্বাস সাহেবের মতো জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিত্বদের মানহানিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি করা হচ্ছে, তা সত্যিই দুঃখজনক এবং অমার্জনীয়।

মির্জা আব্বাস ভাই ফিরে আসুন । অসভ‍্যদের মাথায় তুলেছেন এর পরিনাম ভোগ করছেন- এর বেশি কিছু না। সবকিছুর পরেও বলবো ফিরে আসুন। অসভ‍্যদের বিপরীতে অন্তত সভ‍্যতার রাজনীতির জন‍্য!

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই