1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
বাংলাদেশে বিএনপির রাজনীতিতে মির্জা আব্বাসকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ কাহারো নেই ? - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তৃণমূলের আস্থার নাম বিএনপি নেতা সোহেল রানা বাবু ভেড়ামারায় পুলিশের অভিযানে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১। আসছে ঐতিহাসিক শোকের মাস আগষ্টে জননেতা আয়মান হোসেন অপু শোক বার্তা প্রকাশ করলেন। ” যেই দিন ৫ ই আগস্ট তৈরী করেছিল এরা সেই দিনই সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে এদেরকে আর একবৃন্দু ছাড় দেওয়া যাবেনা শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশ “ ” জরুরী প্রেস বিজ্ঞপ্তি :- বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন “ জরুরী প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ- বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন দুই মাসের সন্তানকে কোলে নিয়ে স্বামী আলিনুর হত্যার বিচার চাইলেন স্ত্রী জামায়াত সমর্থিত মেম্বার পদপ্রার্থী জুলহকের বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার। নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা ফুলপুরে জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির কমিটি অনুমোদন ও মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

বাংলাদেশে বিএনপির রাজনীতিতে মির্জা আব্বাসকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ কাহারো নেই ?

প্রতিবেদক বার্তা সম্পাদকঃ-দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ !
  • Update Time : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২৩৪ Time View

প্রয়াত মেয়র হানিফ ঢাকার রাজনীতিতে কাউকে খুব একটা গোনায় ধরতেন না-এমনকি বেগম জিয়াকেও নয়। তবে ঢাকার রাজনীতিতে তিনি দুইজনকে সবসময় গুরুত্ব দিয়ে দেখতেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা, অন্যজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাস।

বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু মূলত ঢাকা। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি-এই দুই দলের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণও অনেকটাই ঢাকা কেন্দ্রিক। আর বিএনপির রাজনীতিতে মির্জা আব্বাসকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই, কারণ তাঁকে বাদ দিয়ে ঢাকার বিএনপির রাজনীতি কল্পনাই করা যায় না।

তিনি শুধু একজন নেতা নন; দীর্ঘদিনের ত্যাগী রাজনৈতিক কর্মী এবং বি এন পির পরীক্ষিত সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে সাম্প্রতিক সময়ে এ দেশের রাজনীতিতে এক ধরনের “টোকাই রাজনীতি” ঢুকে পড়েছে। যাদের রাজনৈতিক যোগ্যতার চেয়ে বেশি ছিল প্রমোশন, প্রচারণা আর মিডিয়া হাইপ।

ইউনূস–ওয়াকার গং এবং ইন্টেরিম শক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় এই টোকাই রাজনীতিকে সামনে আনার চেষ্টা হয়েছে এবং জোরপূর্বক ছয়জনকে সংসদে ঢোকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।

এই ছয়জনকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে বিএনপির ছয়জন ত্যাগী কর্মীকেও রাজনৈতিকভাবে “কোরবানি” দেওয়া হয়েছে-এমন আলোচনা এখন রাজনৈতিক মহলে।

এক পর্যায়ে মির্জা আব্বাসকেও রাজনীতি থেকে “মাইনাস” করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু গুলশান পার্টি অফিসে বসে তিনি প্রয়োজনে দল থেকে পদত্যাগ করার যে গোপন সংকেত দিয়েছিলেন, তার পরেই বিএনপি নড়েচড়ে বসে। বি এন পির হাইকমান্ড থেকে স্পষ্ট বার্তা আসে-
“অনেক ছাড় দেওয়া হয়েছে, মির্জা আব্বাসের আসনে আর নয়।”
এরপর তিনি নির্বাচনে অংশ নেন এবং বিজয়ী হন।

কিন্তু নির্বাচনের আগে ও পরে তাকে যে মানসিক চাপ সহ্য করতে হয়েছে, তা ছিল অত্যন্ত কষ্টদায়ক। নাতির বয়সী কিছু টোকাই যেভাবে তাকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করেছে, অশ্রাব্য গালিগালাজ করেছে-তা একজন জাতীয় নেতার জন্য শুধু অপমানজনকই নয়, অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

হাদী হত্যাকাণ্ডের পরও শুরুতে পুরো দায় তার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।

প্রতিদিনের এই মানসিক চাপ, অপমান আর কুৎসা একজন মানুষের জন্য কতটা কঠিন তা বাইরে থেকে বোঝা যায় না। তবুও মির্জা আব্বাস ধৈর্য ধরেছেন, সংযম দেখিয়েছেন, এমনকি টোকাই রাজনীতির প্রতিও উদারতার পরিচয় দিয়েছেন।

বাস্তবতা হলো বাংলাদেশের রাজনীতি শেষ পর্যন্ত রাজনীতিবিদদের হাতেই থাকবে। মিডিয়া হাইপ, সাময়িক প্রচারণা বা টোকাই রাজনীতি দিয়ে ইতিহাস লেখা যাবে না, নেতৃত্ব তৈরি করা যাবে না।

আজ মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার কথা শুনে সত্যিই কষ্ট লাগছে। একজন প্রবীণ জাতীয় নেতার এমন অবস্থার পেছনে দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ যে কাজ করেছে-তা অস্বীকার করার উপায় নেই।

মির্জা আব্বাস সাহেব, কায়মনোবাক্যে দোয়া করি-আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরে আসুন। আপনার ফিরে আসা শুধু আপনার পরিবারের জন্য নয়, এই দেশের রাজনীতির জন্যও প্রয়োজন। মহান আল্লাহ আপনাকে পূর্ণ সুস্থতা দান করুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই