
কোথায় আজ মানবতা সত্যিকার অর্থে আমরা কি মানুষ হতে পেরেছি।
বাংলাদেশের সংবিধান যেখানে নাগরিকদের জামিনের অধিকার স্বীকার করে, সেখানে প্যারোলে সাময়িক মুক্তিও আজ এ রাষ্ট্রে প্রদত্ত নয়, মানবিক অধিকার আজ কোথায়! অথচ বারবার জামিন চেয়েও যখন তা প্রত্যাখ্যাত হয়, তখন প্রশ্ন জাগে বাংলাদেশে কি আওয়ামী লীগ যারা করে তাঁরাই সর্বকালের সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধী?
উচ্চ আদালত আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের জামিন মঞ্জুর করলেও,বি এন পি জামাতের নেতারা তাদের জেল গেট হতে বেরহতেই দিচ্ছে না। আদালত প্রাঙ্গণ থানা, জেল গেট সব তাদের হাতে জিম্মি আজ।
নির্মম একের পর এক হৃদয়বিদারক ঘটনার প্রেক্ষাপট জর্ম নিচ্ছে তারা গতো ১৭ মাসে,প্যারেলে মুক্তি ও মিলছে না আজ, সাদ্দাম নামের মানুষটি মুক্তি পেলেই বুঝি রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত নড়ে পড়ত!
এমন নিষ্ঠুর প্রতিহিংসার বাংলাদেশ গুটিকয়েক বিকারগ্রস্ত মানুষ ছাড়া কেউ চায় না। কখনো চায়নি, আগামীতেও চাইবে না।
বলে মনে করছে জাতির বিবেকবান মানুষেরা।
তাই তথাকথিত সভ্যতার মুখোশধারী কিছু অসৎ ও হিংস্র মানসিকতার মানুষের চেয়ে ফুটপাতে কুকুর জড়িয়ে রাত কাটানো মানুষ গুলোকেই আমি বেশি মানবিক, বেশি নিরাপদ মনে করি এবং তাদের প্রতিই আমার গভীর শ্রদ্ধা।
একের পর এক লাশের মিছিল চলছে বাংলাদেশ জুড়ে,
গুম খুন,লুটপাট করে ও তাদের তৃপ্তি হচ্ছে না।
প্রহসনের বিচার ব্যাবস্থা কে তীব্র নিন্দা জানাই,, তাঁর পর আজ যাঁরা আদালত প্রাঙ্গণে জর্জ এর দায়িত্ব পালন করছেন, আইনের রক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন আপনারা কি মরবেননা!
স্রষ্ঠার কাছে জবাব দিতে পারবেন তো আপনারা! নাকি বিবেক ঈমান নাই বলেই আইনের রক্ষক সেজে ভক্ষক এর কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
গতো ১৭ মাসে বাংলাদেশে যে হত্যা লুটপাট গুমের রাজনীতি হয়েছে মনে হয় না গতো ৩০ বছরেও তা ঘটেছে।