1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
পাটগ্রামের ধরলা নদী ভাঙ্গনে সর্বহারা কৃষক - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নড়াইলে মোসা. মুন্নি বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন নড়াইলের লোহাগড়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক, স্বামী গ্রেপ্তার রাজবাড়ীর কালুখালীতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা ৯ নং পোড়াহাটি ইউনিয়ন মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য “কেন্দুয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন করলেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডঃ রফিকুল ইসলাম হিলালী” জনপ্রতিনিধিদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন: ‘শুধু সাংবাদিকদের কেন? লেখক: মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী, সভাপতি, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি, কেন্দ্রীয় কমিটি। গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সেনবাগ বাজারে ফুটপাত ও সড়ক যেন ব্যবসায়ীদের শোরুম, জিম্মি পথচারীরা নড়াইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ বীরগঞ্জে কাশিমনগর বাঁধ ও কাচারিপাড়া ওয়াবদা পাড় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম

পাটগ্রামের ধরলা নদী ভাঙ্গনে সর্বহারা কৃষক

রাজু মিয়া, জেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট।
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৬০ Time View

পাটগ্রামের ধরলা নদী ভাঙ্গনে সর্বহারা কৃষক

রাজু মিয়া, জেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট।

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড ধবলগুড়ি এলাকার হাজীপাড়ায় বয়ে যাওয়া ধরলা নদীর পাড় ভাঙ্গনের কবলে কয়েকশ পরিবার ঘর বাড়ি সহ ফসলি জমি হাড়িয়ে নিঃস্ব। কেউ দিনযাপন করছেন আত্মীয় স্বজনের বাসায় আর কেউবা অন্যের বাসায়।
ভুক্তভোগী মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ধরলা নদীর দীক পরিবর্তন হয়েছে আমার যে টুকু আবাদি জমি ছিল সব টুকুই ধরলা নদীর পেটে চলে গেছে।
মোঃ সাহাবুল ইসলাম বলেন আমার আজ শুধু বলার ভাষা ছাড়া অন্য কিছুই নেই সব কিছুই ধরলা নদীর পাড় ভাঙ্গনের ফলে আজ আমি নিঃস্ব।
মোঃ হোসেন আলী, আঃ লতিফ, ফজলুল হক, মসজিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, গোলাম রব্বানী, আঃ করিম, আঃ বারেক, মশিউর রহমান প্রমুখ বলেছেন আমাদের ৩০০ শতাধিক একর জমি, ঘরবাড়ি, ধান ক্ষেত, বেগুন ক্ষেত, বাদাম ক্ষেত সহ বিভিন্ন আবাদি জমি প্রতিদিনের ধরলা নদীর ভাঙ্গনের ফলে সর্বহারা তো হচ্ছি কোথাও গিয়ে এর স্থায়ী সমাধান‌ও পাচ্ছি না। আমরা এলাকাবাসী শতশত বার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি এর কোন সমাধান পাইনি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডেও কয়েক বার যোগাযোগ করা হলেও তারা ধরলা নদীর এই পার ভাঙ্গা দেখতে আসেনি।
গ্রাম বাসি প্রশ্ন তুলেছেন যে একেই তো আমাদের ক্ষতি হচ্ছে আমরা এই বৈষম্যের শিকার আর কতদিন হব। চোখের সামনে পাকা ধান ক্ষেত ভেঙে যাচ্ছে আর কত চোখের জল ফেলবো।
এদিকে জোংড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য জনাব আঃ সাত্তার বলেন আমরা বিষয়টি জানি। এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারিনি। এ টা আমার ব্যর্থতা।
উক্ত ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে স্থায়ী সমাধান‌ করার চেষ্টা করবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই