1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ভারত - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পাবনা-৩ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়। সাঁথিয়ায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি শামসুর রহমানের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত ?? জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল আহ্বায়ক হুমায়ুন সজিবের নামে প্রচারিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ?? অবৈধ দেশদ্রোহী জঙ্গি ইউনুস সরকার, যার কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই, ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি অবৈধ ইউনূস,জামায়াত আর আমেরিকা: ভারত,রাশিয়া, চীনকে ঠেকাতে বাংলাদেশকে বলি দেওয়ার ত্রিমুখী আঁতাত  লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি? পুংগলী আমিনা মোস্তফা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতা পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত। কমলনগরে ইটভাটা শ্রমিককে অপহরণের চেষ্টা, নারীসহ ৫জনকে পিটিয়ে আহত ‎ যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ভারত

সৈয়দ নুর আলম বাদশা সম্পাদকঃ দৈনিক বাংলার মুক্তকন্ঠ সংবাদ।
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৪৪ Time View

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ভারত

সৈয়দ নুর আলম বাদশা
সম্পাদকঃ
দৈনিক বাংলার মুক্তকন্ঠ সংবাদ।

ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি নীতির পরিবর্তনের কারণে সামিট গ্রুপ বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে নতুন পরিকল্পনা করছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমনটাই বলছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আজিজ খান।

বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের এক সপ্তাহের মাথায় ভারত সরকার নতুন এই নীতিমালা প্রণয়ন করে। নতুন নীতিমালা অনুসারে, যেসব প্রতিষ্ঠান বিশেষভাবে বাইরের দেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করছিল, তারা এখন স্থানীয়ভাবেই তাদের বিদ্যুৎ বিক্রি করবে। এতে করে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারবে না আদানিসহ অন্যান্য বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

এই আইনের কারণে ভারতের একমাত্র শতভাগ রপ্তানিমুখী বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র আদানি গ্রুপের মালিকানাধীন গোড্ডা কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দেশটির জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হবে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।

দেশের বাইরে থেকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করতে চায় সামিট। আজিজ খান বলেন, ‘নীতিমালার পরিবর্তনের পর আমাদের ভারতীয় অংশীদারেরা হয়তো ভারতেই বিক্রি করতে বেশি আগ্রহী হবেন। আমাদের কোম্পানি বাংলাদেশে সঞ্চালন লাইন তৈরিতে বিনিয়োগ করবে এবং তাহলে এ ক্ষেত্রে আমাদের আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে হবে।’

রয়টারর্সে তথ্য অনুযায়ী, সামিট গ্রুপ বাংলাদেশে এক ডজনেরও বেশি জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পরিচালনা করছে। কোম্পানিটি গত বছর টাটা পাওয়ার রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেডসহ ভারতীয় অংশীদারদের সঙ্গে ১ হাজার মেগাওয়াট পুনর্নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নির্মাণ এবং উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

প্রকল্পটির বর্তমান অবস্থা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করা হলে টাটা পাওয়ারের পক্ষ থেকে সামিটের পরিকল্পনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

বাংলাদেশে প্রায় ৯৯ শতাংশ বিদ্যুৎই আসে জীবাশ্ম জ্বালানি দিয়ে পরিচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে। তাই কার্বন নিঃসরাণ কমাতে এই খাতের ওপর থেকে নির্ভরতা কমানো বাংলাদেশের জন্য জরুরি। কিন্তু জমির দুষ্প্রাপ্যতার কারণে বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনও সহজ নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই