1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
ঝিনাইদহে রতন বস ও রকন মিয়ার বিরুদ্ধে নারী ও মানবপাচারের অভিযোগ - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সেনবাগ বাজারে ফুটপাত ও সড়ক যেন ব্যবসায়ীদের শোরুম, জিম্মি পথচারীরা নড়াইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ বীরগঞ্জে কাশিমনগর বাঁধ ও কাচারিপাড়া ওয়াবদা পাড় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম নড়াইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ নোয়াখালী চাটখিলে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নারীকে মারধর করে আহত থানায় অভিযোগ করায় পুনরায় মারধর করার অভিযোগ শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজালাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর.! আয়মান হোসেন অপু নড়াইলে ইয়াবাসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার নড়াইলের নড়াগাতী থানা পুলিশের অভিযানে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার বেগমগঞ্জে গনিপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন পরিচালনা কমিটির অভিষেক

ঝিনাইদহে রতন বস ও রকন মিয়ার বিরুদ্ধে নারী ও মানবপাচারের অভিযোগ

মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১০০ Time View

 

ঝিনাইদহের সদর উপজেলার পোড়াহাটি ইউনিয়নে সাবেক আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ নেতা মোহাম্মদ রকন মিয়া ও তার ছোট ভাই মোহাম্মদ রতন মিয়া ওরফে রতন বসের বিরুদ্ধে নারী পাচার ও মানবপাচারের একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী পরিচয়ের আড়ালে গড়ে উঠেছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র, যারা উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নারী-পুরুষকে বিদেশে পাঠাত।
পোড়াহাটি ইউনিয়নের বারইখালি গ্রামের মৃত রফি উদ্দিন লস্করের ছেলে রতন মিয়া, স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের সময় কুখ্যাত সন্ত্রাসী শহিদুল ইসলাম হিরনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। ওই সময় তার বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ উঠলেও কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি বলে দাবি করেন একাধিক গ্রামবাসী।
ভুক্তভোগী এক পরিবারের সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে মোটা অংকের বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের এক স্বজনকে পাঠানো হয়। বিদেশে পৌঁছানোর পর তার পাসপোর্ট আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। পরে পরিবারের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে আরও নির্যাতনের হুমকি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে পরিবার জমি বিক্রি করে টাকা পাঠায়।
আরেকটি সূত্র জানায়, কয়েকজন নারীকে গার্মেন্টস বা গৃহকর্মীর কাজের কথা বলে নিয়ে যাওয়া হলেও বাস্তবে তাদের অমানবিক পরিস্থিতিতে রাখা হয়। নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে আসা এক নারী জানিয়েছেন, বিদেশে গিয়ে তারা বুঝতে পারেন প্রতিশ্রুত কাজের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। প্রতিবাদ করলে মারধর ও আটকে রাখার হুমকি দেওয়া হতো।
স্থানীয়রা দাবি করেছেন, রতন মিয়া ও তার বড় ভাই রকন মিয়া রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে গেছেন। অভিযোগ রয়েছে, বিদেশে পাঠানোর আগে চুক্তিপত্রে ভুয়া শর্ত যুক্ত করা হতো এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সম্পৃক্ততা থাকত না।
মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিষয়টি তদন্ত করে আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা জরুরি। কারণ, একই কৌশলে একাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রতন মিয়া ও রকন মিয়ার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
সচেতন মহল মনে করছে, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও অনেকে এমন প্রতারণা ও পাচারের শিকার হতে পারেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাব-প্রতিপত্তির বাইরে গিয়ে এই চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই