
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চাচা-ভাইপোকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। আহতরা হলেন লোহাগড়া উপজেলার নওয়াগ্রাম ইউনিয়নের কলাগাছি গ্রামের আহম্মেদ মোল্যার ছেলে মেছের মোল্যা (৩৫) এবং কাদের মোল্যার ছেলে ইয়ামিন মোল্যা (১৬)। তারা বর্তমানে নড়াইল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কলাগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায়। আহত মেছের মোল্যা জানান, রাত ১১টার দিকে কলাগাছি বাজার থেকে তিনি ও তার ভাইপো ইয়ামিন মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে একই গ্রামের আলাউদ্দিন মোল্যার ছেলে শাকিল মোল্যা (২২), সালাম মোল্যার ছেলে ইনামুল মোল্যা (৩৮), জিল্লু মোল্যার ছেলে তুহিন মোল্যা (৩২) ও হাসিফ মোল্যা (২৭), আব্দুল্লাহ মোল্যার ছেলে আরমান মোল্যা (১৯), আতিয়ার মোল্যার ছেলে রমিন মোল্যা (৩৬), মৃত ইসরাফিল শেখের ছেলে কোবাদ শেখ (৩৫)সহ আরও ৩-৪ জন তাদের ওপর হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। তিনি অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। ইয়ামিন মোল্যার বাবা কাদের মোল্যা বলেন, আলাউদ্দিন মোল্যার নেতৃত্বে সপ্তাহখানেক আগে তাদের ৪-৫টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পরে স্থানীয় মাতব্বরদের মাধ্যমে সালিশে বিষয়টি মীমাংসা হয়। তবে শনিবার রাতে আবারও তার ছেলে ও ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর ও কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় মামলা করবেন বলে জানান এবং সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। আহত মেছের মোল্যার ভাই উদার মোল্যা বলেন, তার ভাই বাজারে ব্যবসা করেন। বাড়ি ফেরার পথে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তার ভাইয়ের কাছে থাকা কিছু টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন মোল্যার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোন কেটে দেন।
লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।