1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
ইঁদুরের গর্ত থেকে সংগ্রহ ধানে ৬ মাসের ভাতের জোগান হয় আয়মনার - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর হাটের টোল রেট পুনঃনির্ধারণের দাবি, জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীতে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার-২ সাংবাদিকদের সম্মানে শ্রীমঙ্গল থানার ইফতার মাহফিল ঝিনাইদহ জামায়াতের ইফতার মাহফিল ও ঐক্যের ডাক। জীবিত থেকেও সরকারী খাতায় মৃত,তিন বছর বয়স্কভাতা থেকে বঞ্চিত ৮৯ বছর বয়স্ক বিদ্যা। নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার “বাংলাদেশে দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী ও জনাব মির্জা আব্বাস সাহেব একে অপরের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা হারাননি” পাটগ্রামে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইউপি সদস্যের হামলায় সাংবাদিক আহত নড়াগাতীতে সংখ্যালঘু শিশু ধর্ষণের শিকার, থানায় মামলা দায়ের? ” কবিতা মুখোশ “

ইঁদুরের গর্ত থেকে সংগ্রহ ধানে ৬ মাসের ভাতের জোগান হয় আয়মনার

সাগর হাসান জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী।
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৮৮ Time View

ইঁদুরের গর্ত থেকে সংগ্রহ ধানে ৬ মাসের ভাতের জোগান হয় আয়মনার

সাগর হাসান,জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী।-ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহ করে ৬ মাসের ভাতের জোগান হয় আয়মনার। স্বামী নেই। একমাত্র ছেলে রয়েছে, সে-ও থাকে আলাদা। নুন আনতে পান্তা ফুরায়। আয়-রোজগার বলতে দিনমজুরি ও ইঁদুরের গর্ত থেকে সংগ্রহ করা ধান। এই ধান বিক্রির টাকা দিয়ে চলে বছরের প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস।

৫৮ বছর বয়সী আয়মনা বেওয়া রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌর এলাকার শালঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রতি বছর আমন ধান কাটা শেষ হলেই নেমে পড়েন ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান কুড়াতে। সাপ-পোকামাকড়ের ভয় না পেয়েই ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহ করেন।

উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন ধান কাটছেন কৃষকেরা। কাটা ধান শুকানো হচ্ছে রোদে। ধানসহ খড় শুকিয়ে গেলে জমি থেকে সেই ধান নেওয়া হচ্ছে ঘরে।আয়মনা বেওয়ার কাজ এখন শুরু, আর আয়মনার বসে থাকার সময় নেই।আগামী ছয় মাসের খোরাক গুছিয়ে তুলতে হবে ঘরে। আর সেই খোরাক তুলতে হবে ইঁদুরের গর্ত থেকেই। খুন্তি কোদাল, চালন, বস্তা নিয়ে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছুটছেন এ মাঠ থেকে ও-মাঠে।খুঁজে ফিরছেন ইঁদুরের গর্ত।

দরিদ্র আয়মনা বেওয়া বলেন, স্বামী নেই, ছেলেও আলাদা। নিজে কাজ করি, নিজে খাই। প্রতিদিন সকালে মানুষের বাড়িতে কাজে যাই। আমন ধানের মৌসুম এলে কাজ শেষ করে বিকেলে মাঠে গিয়ে ইঁদুরের গর্ত খুঁজি। গর্ত থেকে রাত পর্যন্ত ধান কুড়াতে থাকি। ইঁদুরের গর্ত থেকে কুড়ানো ধানে আমার বছরের অর্ধেক পার হয়ে যায়।

এ ছাড়াও এ ধান দিয়েই শীতের পিঠাও খাওয়া হয়। আর বছরের বাকি অর্ধেক দিনমজুর কাজ করেই চলে একার সংসার। ইঁদুরের গর্তে সাপ পোকা-মাকড়ের ভয় পায় কি-না জানতে চাইলে আয়মনা বেওয়া জানান, পেটের খিদেই সব ভয় উড়ে যায় তার।

শালঘরিয়া গ্রামের কৃষক রেন্টু মিয়া বলেন, ধান কাটার পর মাটিতে পড়া থাকা ধান অনেকেই সংগ্রহ করেন।ইঁদুরের গর্ত থেকেও সংগ্রহ করেন। এতে আমরা বাধা দিই না।

দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা পারভীন লাবনী বলেন, খেতে এভাবে ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহ করা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। তবুও অনেকে পেটের তাগিদে এ কাজ করে থাকেন। সতর্ক ও নিরাপদ না থাকলে বিপদ হতে পারে।

দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ পরিবারের পক্ষে থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী ও ধণ্যাট্ট ব্যাক্তিদের আসার বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো। মানবিক সহায়তা নিজেকে অন্য এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই