1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
৫ ই ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে "বাংলাদেশের" নামকরণ করেন বঙ্গবন্ধু। - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তৃণমূলের আস্থার নাম বিএনপি নেতা সোহেল রানা বাবু ভেড়ামারায় পুলিশের অভিযানে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১। আসছে ঐতিহাসিক শোকের মাস আগষ্টে জননেতা আয়মান হোসেন অপু শোক বার্তা প্রকাশ করলেন। ” যেই দিন ৫ ই আগস্ট তৈরী করেছিল এরা সেই দিনই সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে এদেরকে আর একবৃন্দু ছাড় দেওয়া যাবেনা শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশ “ ” জরুরী প্রেস বিজ্ঞপ্তি :- বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন “ জরুরী প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ- বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন দুই মাসের সন্তানকে কোলে নিয়ে স্বামী আলিনুর হত্যার বিচার চাইলেন স্ত্রী জামায়াত সমর্থিত মেম্বার পদপ্রার্থী জুলহকের বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার। নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা ফুলপুরে জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির কমিটি অনুমোদন ও মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

৫ ই ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে “বাংলাদেশের” নামকরণ করেন বঙ্গবন্ধু।

সাগর হাসান জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৭ Time View

৫ ই ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে “বাংলাদেশের” নামকরণ করেন বঙ্গবন্ধু।

সাগর হাসান,জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী:-৫ ই ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে আজকের এইদিনে,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান “বাংলাদেশের” নামকরণ করেন।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ৫ ই ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামীলীগ এর আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের নামকরণ করেন “বাংলাদেশ”। বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান বলেন, আমাদের আবাসভূমির নাম পূর্ব পাকিস্তান নয়, এখন থেকে হবে “বাংলাদেশ।” এখন থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে “বাংলাদেশ” নামে ডাকা হবে। একটা সময় ছিল যখন এই মাটি আর মানচিত্র থেকে “বাংলা” শব্দটি মুছে ফেলার সব ধরণের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। “বাংলা” শব্দটির অস্তিত্ব শুধু বঙ্গোপসাগর ছাড়া আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যেত না। আমি পূর্ব পাকিস্তানের জনগনের পক্ষ থেকে আজ ঘোষণা করছি যে, এখন থেকে এই দেশকে’পূর্ব পাকিস্তানের’বদলে “বাংলাদেশ নামে ডাকা হবে”। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের এই ঘোষণার ফলে সারা দেশে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পশ্চিম পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ এবং সামরিক কর্তারা তাঁকে একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হিসেবে মূল্যায়িত করতে শুরু করেন। মুজিবের বাঙ্গালী সংস্কৃতি ও জাতিগত আত্মপরিচয়ের বহিঃপ্রকাশ প্রাদেশিক স্বায়ত্বশাসনের বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করে। অনেক বুদ্ধীজীবী ব্যক্তিত্ব্যের মতে,”বাঙালিদের আন্দোলন দ্বিজাতিতত্ত্বকে অস্বীকার করার নামান্তর।”এই দ্বিজাতিতত্ত্বের মাধ্যমেই পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।
বাঙালিদের জাতিগত ও সংস্কৃতিগত এই আত্মপরিচয় তাদেরকে একটি আলাদা জাতিসত্ত্বা প্রদান করে। মুজিব পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক জনমত গড়ে তুলতে সমর্থ হন। কার্যত তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। আজকের এই দিনে দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ পরিবারের পক্ষে থেকে অতল শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই