1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ ! - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মে দিবসের অঙ্গীকার: শ্রমিকের অধিকার আদায়ে নরসিংদী শহর শ্রমিক দলের র‍্যালি নরসিংদীতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা: ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বেলাব থানার পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার সরকারের কৃষি কার্ডের মাধ্যমে দেশে আধুনিক কৃষির বিপ্লব ঘটবে, থাকবে না খাদ্য ঘাটতি,থাকছে না কৃষকদের অন্যান্য সমস্যাও- সাংসদ রফিকুল ইসলাম দ্বীন প্রতিষ্ঠার আহ্বান: হেযবুত তওহিদের ইমামকে ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশা নরসিংদীতে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের মাঠমুখী উদ্যোগ মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সরাসরি অংশগ্রহণ, সমস্যার সমাধানে জোর সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় নতুন দিগন্ত: ‘জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি (JRIS)’ আজ রবিবার ৩.রা, মে, বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। নরসিংদীতে RAB বাহিনীর অভিযানের খবরে ছাদ থেকে লাফ, মাদক মামলার আসামি কাসেমের মৃত্যু টাউয়াদিতে চার দিনেও মেলেনি সহায়তা, খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন বোন-ভগ্নিপতিকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা, বাবা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ !

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:-
  • Update Time : বুধবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১০৭ Time View

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ !

জেলা প্রতিনিধি:-ঠাকুরগাঁও সদর থানার পুলিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজার রহমান রিপনকে অবৈধভাবে আটকে রেখে শাস্তিমূলক আচরণ করেছে। সাম্প্রতি গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) শহরের হাজীপাড়া এলাকার নিশু ট্রেডার্সের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে পুলিশ রিপনকে তুলে নিয়ে যায় এবং তাকে ৮ ঘণ্টা থানায় আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুপুর ১২টা ৩ মিনিটে দুটি মোটরসাইকেলযোগে মাহফুজার রহমান রিপনকে তুলে নেওয়া হয়। তাকে নিয়ে যাওয়া পুলিশের কর্মকর্তারা হলেন- ঠাকুরগাঁও সদর থানার এ,এস,আই খাদেমুল ইসলাম এবং কনস্টেবল সরব। থানায় নিয়ে যাওয়ার পর, রিপনের পকেটে থাকা ১৯ হাজার টাকা ও মুঠোফোনটি ছিনতাই করা হয়, এবং তাকে এক ঘরবন্দী করে রাখা হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, পুলিশের পক্ষ থেকে রিপনকে বিস্ফোরক আইনে মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং পরে সন্ধ্যা নাগাদ তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান,তিনি বিষয়টি জানেন না,এবং কাউকে আটক করার কোনো ঘটনাও ঘটেনি। তার দাবি,“যদি কেউ আটক করে ছেড়ে দেয়,তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এদিকে,স্থানীয় সাংবাদিকরা অভিযোগ করছেন, পুলিশ প্রশাসন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। সাংবাদিক ফরিদুল ইসলাম রাঞ্জু ফেসবুকে লেখেন,সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তার রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে থেকেও সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেননি। অন্যদিকে, নেটিজেনরা এবং বিভিন্ন স্থানীয় ব্যক্তিরা অভিযোগ করেছেন,পুলিশ কখনও অভিযোগের বিষয়বস্তুর প্রতি গুরুত্ব দেয় না,এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা উপেক্ষা করছে। কিছু পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে,পুলিশের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে রাজনৈতিক নেতাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর,ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান,যদি পুলিশ কোনো অপরাধীকে ধরে রেখে পরে তাকে ছেড়ে দেয়, এবং বিষয়টি অস্বীকার করে,তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ জনগণের মধ্যে পুলিশ প্রশাসন সম্পর্কে বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হওয়ায়,একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন,যে পুলিশ এখন আর জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করছে না,বরং রাজনৈতিক পক্ষের প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই