1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
পাবনার সাবেক এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স ও তার গুন্ডালীগের অপকর্ম ফাঁস। - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নড়াইলের লোহাগড়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক, স্বামী গ্রেপ্তার রাজবাড়ীর কালুখালীতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা ৯ নং পোড়াহাটি ইউনিয়ন মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য “কেন্দুয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন করলেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডঃ রফিকুল ইসলাম হিলালী” জনপ্রতিনিধিদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন: ‘শুধু সাংবাদিকদের কেন? লেখক: মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী, সভাপতি, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি, কেন্দ্রীয় কমিটি। গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সেনবাগ বাজারে ফুটপাত ও সড়ক যেন ব্যবসায়ীদের শোরুম, জিম্মি পথচারীরা নড়াইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ বীরগঞ্জে কাশিমনগর বাঁধ ও কাচারিপাড়া ওয়াবদা পাড় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম নড়াইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

পাবনার সাবেক এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স ও তার গুন্ডালীগের অপকর্ম ফাঁস।

স্টাফ রিপোর্টার পাবনা।
  • Update Time : বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৪৩ Time View

পাবনার সাবেক এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স ও তার গুন্ডালীগের অপকর্ম ফাঁস।

স্টাফ রিপোর্টার পাবনা। পাবনার সাবেক এমপি প্রিন্সের উত্থানের একটি ঘটনা! ২০১০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষাচলাকালে হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিজয় ভূষন পাল, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুল মামুনসহ ১৫ জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এসময় বিভাগীয় কমিশনার অফিসের ১টি গাড়ি ও জেলা প্রশাসনের ৪টি গাড়িসহ পরীক্ষা কেন্দ্রে ভাংচুর করা হয়। পরীক্ষার খাতা ছিঁড়ে ফেলে এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়।
প্রশাসনে আওয়ামী লীগের নগ্ন হস্তক্ষেপের ঘটনা দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠে। এই ঘটনার নেপথ্যে উঠে আসেন গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স। তার বিরুদ্ধে ডিসিকে লাঞ্ছিত করারও অভিযোগ উঠে। ডিসি অফিস ঘেরাও, সড়ক অবরোধ, কর্মবিরতিসহ ঘটনায় দুই সপ্তাহ ধরে চলে প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে টানাপোড়ানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রশাসনিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম পাবনায় আসেন। তিনি এসে ঘটনার রেশ টানলেও শেষ পর্যন্ত পাবনা ছাড়তে বাধ্য হোন তৎকালীন জেলা প্রশাসক ড. এএফএম মঞ্জুর কাদির ও পুলিশ সুপার জামিল আহমেদ, এডিসি, ইউএনও, ওসিসহ প্রশাসনের শীর্ষ প্রায় সব কর্মকর্তা। যাওয়ার আগে এক মতবিনিময় কান্নায় ভেঙে পড়েন জেলা প্রশাসক ড. এএফএম মঞ্জুর কাদির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইদুর রহমান ও ম্যাজিষ্ট্রেট ইসরাত জাহান।

এমন কিছু ঘটনা নিয়ে আরও বিস্তারিত আসবে ইনশাআল্লাহ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই