1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
কালীগঞ্জে বি সি এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে নৈশ প্রহরীর চাকরি করছেন।তুলছেন বেতন। - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিএনপি নেতার হাতে নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম ! দুই দায়িত্বে আলোচিত নোয়াখালীর রাজনীতিবিদ হারুনুর রশিদ আজাদ “আমি কোন নেতা নই আমি শ্রমিকদের ভাই: এহতেশামুল হক শাহীন” শ্রীমঙ্গলে জমি দখলের চেষ্টা, হামলার অভিযোগ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি ঐতিহাসিক ঘোষণার পর থেকে পুরো দেশ পরিচালিত হচ্ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একক নেতৃত্বে। কমলনগরে হুফফাজুল কুরআন প্রতিযোগীতা পুরস্কার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল বীরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে শিশুদের প্রচার অভিযান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নরসিংদী জেলা জার্নালিস্ট এন্ড রাইটার্স সোসাইটির উদ্যোগে “ঈদ সামগ্রী বিতরণ” ঝালকাটির কাঠালিয়ায় সংবাদ প্রচারের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকির অভিযোগ ঝিনাইদহে নব-নির্বাচিত এমপিদের সংবর্ধনা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি

কালীগঞ্জে বি সি এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে নৈশ প্রহরীর চাকরি করছেন।তুলছেন বেতন।

মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • Update Time : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৬ Time View

কালীগঞ্জে বি সি এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে নৈশ প্রহরীর চাকরি করছেন।তুলছেন বেতন।

, মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বানুড়িয়া চন্দ্রপাড়া সানবান্ধা (বি সি এস) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণী পাসের জাল সনদ ব্যবহার করে নৈশ প্রহরী পদে চাকরি করছেন রাজু আহমেদ নামে এক যুবক।তুলছেন বেতন। অভিযুক্ত রাজু আহমেদ কালিগঞ্জ উপজেলার ৬ নং ত্রিলোচাঁনপুর ইউনিয়নের জাহিদুল ইসলাম ও ঝর্ণা বেগম দম্পতির ছোট ছেলে।
অভিযোগ উঠেছে রাজু আহমেদ জে এস সি/ জে ডি সি রেজাল্ট ২০১৬ তে জিপিএ ৩.০৫ পেয়ে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হন। উক্ত সার্টিফিকেট এ জন্ম তারিখ উল্লেখ করা হয় ২৬-১১-২০০৩। কিন্তু রাজু আহমেদের নামে বানুড়িয়া চন্দ্রপাড়া সানবান্ধা (বি সি এস) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণী পাসের আরেকটি সার্টিফিকেট আছে যেখানে অভিযুক্ত রাজু জন্ম সাল দেখা যায় ০১-০২- ১৯৯৭ তারিখের এবং তিনি উক্ত বিদ্যালয় থেকে ২০০৯ সালের বার্ষিক পরীক্ষায় অষ্টম শ্রেণী থেকে উত্তীর্ণ হয়ে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে রাজু আহমেদের বাড়িতে গেলে অভিযুক্ত রাজুর মা তার বড় ছেলে সুমন (রেলওয়ে পুলিশে কর্মরত) এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলেন। অতঃপর মোবাইলে কথা বলার সময় রাজুর বড় ভাই সুমন বলেন, ভাই আপনারা দয়া করে নিউজ করবেন না, আমি দুই-একদিনের মধ্যে বাড়িতে এসে আপনাদের সাথে দেখা করছি। পরবর্তীতে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং বলেন রাজু অনেক ভালো ছেলে। সে ২০১৯ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে। নিউজ করে ওর পেটে লাথি মারার দরকার নেই। আমি সন্ধ্যায় রাজুকে সাথে নিয়ে আপনাদের অফিসে দেখা করছি।
ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করা হলে অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বর্তমানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাই দয়া করে জেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই