1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
কালীগঞ্জে বি সি এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে নৈশ প্রহরীর চাকরি করছেন।তুলছেন বেতন। - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সেনবাগ বাজারে ফুটপাত ও সড়ক যেন ব্যবসায়ীদের শোরুম, জিম্মি পথচারীরা নড়াইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ বীরগঞ্জে কাশিমনগর বাঁধ ও কাচারিপাড়া ওয়াবদা পাড় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম নড়াইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ নোয়াখালী চাটখিলে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নারীকে মারধর করে আহত থানায় অভিযোগ করায় পুনরায় মারধর করার অভিযোগ শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজালাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর.! আয়মান হোসেন অপু নড়াইলে ইয়াবাসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার নড়াইলের নড়াগাতী থানা পুলিশের অভিযানে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার বেগমগঞ্জে গনিপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন পরিচালনা কমিটির অভিষেক

কালীগঞ্জে বি সি এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে নৈশ প্রহরীর চাকরি করছেন।তুলছেন বেতন।

মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • Update Time : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২০৮ Time View

কালীগঞ্জে বি সি এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে নৈশ প্রহরীর চাকরি করছেন।তুলছেন বেতন।

, মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বানুড়িয়া চন্দ্রপাড়া সানবান্ধা (বি সি এস) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণী পাসের জাল সনদ ব্যবহার করে নৈশ প্রহরী পদে চাকরি করছেন রাজু আহমেদ নামে এক যুবক।তুলছেন বেতন। অভিযুক্ত রাজু আহমেদ কালিগঞ্জ উপজেলার ৬ নং ত্রিলোচাঁনপুর ইউনিয়নের জাহিদুল ইসলাম ও ঝর্ণা বেগম দম্পতির ছোট ছেলে।
অভিযোগ উঠেছে রাজু আহমেদ জে এস সি/ জে ডি সি রেজাল্ট ২০১৬ তে জিপিএ ৩.০৫ পেয়ে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হন। উক্ত সার্টিফিকেট এ জন্ম তারিখ উল্লেখ করা হয় ২৬-১১-২০০৩। কিন্তু রাজু আহমেদের নামে বানুড়িয়া চন্দ্রপাড়া সানবান্ধা (বি সি এস) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণী পাসের আরেকটি সার্টিফিকেট আছে যেখানে অভিযুক্ত রাজু জন্ম সাল দেখা যায় ০১-০২- ১৯৯৭ তারিখের এবং তিনি উক্ত বিদ্যালয় থেকে ২০০৯ সালের বার্ষিক পরীক্ষায় অষ্টম শ্রেণী থেকে উত্তীর্ণ হয়ে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে রাজু আহমেদের বাড়িতে গেলে অভিযুক্ত রাজুর মা তার বড় ছেলে সুমন (রেলওয়ে পুলিশে কর্মরত) এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলেন। অতঃপর মোবাইলে কথা বলার সময় রাজুর বড় ভাই সুমন বলেন, ভাই আপনারা দয়া করে নিউজ করবেন না, আমি দুই-একদিনের মধ্যে বাড়িতে এসে আপনাদের সাথে দেখা করছি। পরবর্তীতে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং বলেন রাজু অনেক ভালো ছেলে। সে ২০১৯ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে। নিউজ করে ওর পেটে লাথি মারার দরকার নেই। আমি সন্ধ্যায় রাজুকে সাথে নিয়ে আপনাদের অফিসে দেখা করছি।
ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করা হলে অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বর্তমানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাই দয়া করে জেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই