1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
সংগ্রামময় জীবনের গল্প: প্রতিকূলতার মাঝেও থেমে নেই এক তরুণের কলম - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জনপ্রতিনিধিদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন: ‘শুধু সাংবাদিকদের কেন? লেখক: মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী, সভাপতি, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি, কেন্দ্রীয় কমিটি। গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সেনবাগ বাজারে ফুটপাত ও সড়ক যেন ব্যবসায়ীদের শোরুম, জিম্মি পথচারীরা নড়াইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ বীরগঞ্জে কাশিমনগর বাঁধ ও কাচারিপাড়া ওয়াবদা পাড় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম নড়াইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ নোয়াখালী চাটখিলে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নারীকে মারধর করে আহত থানায় অভিযোগ করায় পুনরায় মারধর করার অভিযোগ শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজালাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর.! আয়মান হোসেন অপু নড়াইলে ইয়াবাসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার নড়াইলের নড়াগাতী থানা পুলিশের অভিযানে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

সংগ্রামময় জীবনের গল্প: প্রতিকূলতার মাঝেও থেমে নেই এক তরুণের কলম

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি:- নরসিংদী।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭১ Time View

সংগ্রামময় জীবনের গল্প: প্রতি

অত্যন্ত প্রতিকূলতা, দারিদ্র্য ও শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে সঙ্গী করেই এগিয়ে চলেছেন এক সংগ্রামী তরুণ। জীবনের প্রতিটি ধাপে কষ্টকে বরণ করেও তিনি থেমে থাকেননি—বরং কলমকে সঙ্গী করে নিজের পথ নিজেই তৈরি করে চলেছেন।
তার পিতা মোঃ হারিছ মিয়া ছিলেন ফুটপাতে বই ব্যবসায়ী এবং একজন সুফি সাধক। ধর্মীয় নানা গ্রন্থ সংগ্রহ ও পাঠে তিনি ছিলেন অত্যন্ত আগ্রহী। শুধু নিজে পড়তেন না, অন্যদেরও পড়াশোনায় উৎসাহিত করতেন। সেই পরিবেশেই বড় হয়ে ওঠেন তার সন্তান। বাবার কাঁধে বইয়ের বোঝা, আর সেই বোঝা বইতেই গড়ে ওঠে সন্তানের শিক্ষার ভিত্তি।
শৈশব থেকেই তাকে লড়াই করে পড়াশোনা করতে হয়েছে। কখনো প্রাইভেট পড়ার সুযোগ পাননি। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেই নিজের চেষ্টায় অর্জন করেছেন জ্ঞান। জীবনের কঠিন বাস্তবতা তাকে বারবার আঘাত করলেও তিনি হার মানেননি।
বর্তমানে তিনি শারীরিকভাবেও মারাত্মক কষ্টের মধ্যে আছেন। তার দুই হাতই ভাঙা অবস্থায় রয়েছে—যা অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তবুও তিনি থেমে নেই। সীমাবদ্ধতার মাঝেও লেখালেখির মাধ্যমে নিজের অভিব্যক্তি তুলে ধরছেন। অন্য কোনো কাজ করতে না পারলেও, লেখার মাধ্যমেই তিনি নিজের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছেন।
তার ভাষায়, “আমাকে আঘাত দিয়ে কথা বলে আপনাদের কোনো লাভ নেই। আমি কষ্ট পেতেই অভ্যস্ত। জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত কষ্টই আমার সঙ্গী। সুখ কি জিনিস—আমার পরিবার তা কখনো জানেনি।”
এই প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত থাকার চেষ্টা করছেন। নিজের ব্যক্তিগত ডিভাইস ব্যবহার করে নিয়মিত লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন। তার দৃঢ় বিশ্বাস—মানুষ পাশে থাকলে তিনি আরও এগিয়ে যেতে পারবেন।
এই সংগ্রামী তরুণ সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন, যাতে তিনি তার লেখনী দিয়ে সমাজের কথা তুলে ধরতে পারেন।
শেষ কথা:
জীবনের কঠিন বাস্তবতা যেখানে অনেককে থামিয়ে দেয়, সেখানে তিনি কষ্টকে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে চলেছেন। তার এই অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিঃসন্দেহে সমাজের জন্য এক শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই