1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
বরগুনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা: রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের প্রিয় সহযোদ্ধা ভাইদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে— জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: ‘বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন’-এর নাম পরিবর্তনের খবরটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তৃণমূলের আস্থার নাম বিএনপি নেতা সোহেল রানা বাবু ভেড়ামারায় পুলিশের অভিযানে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১। আসছে ঐতিহাসিক শোকের মাস আগষ্টে জননেতা আয়মান হোসেন অপু শোক বার্তা প্রকাশ করলেন। ” যেই দিন ৫ ই আগস্ট তৈরী করেছিল এরা সেই দিনই সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে এদেরকে আর একবৃন্দু ছাড় দেওয়া যাবেনা শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশ “ ” জরুরী প্রেস বিজ্ঞপ্তি :- বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন “ জরুরী প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ- বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন দুই মাসের সন্তানকে কোলে নিয়ে স্বামী আলিনুর হত্যার বিচার চাইলেন স্ত্রী জামায়াত সমর্থিত মেম্বার পদপ্রার্থী জুলহকের বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার।

বরগুনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা: রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:-
  • Update Time : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৮ Time View

বরগুনা প্রতিনিধি:-আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরগুনা সদর উপজেলার ১০ নং নলটোনা ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। তবে সাধারণ ভোটারদের মাঝে উন্নয়নের আলোচনার চেয়েও বর্তমানে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাঈম ইসলাম রনির রাজনৈতিক পরিচয়। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগকে ‘নিষিদ্ধ সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করার পর, সেই সংগঠনের এই নেতার নির্বাচনী মাঠে প্রচার প্রচারণা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ ও আইনি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

​মাঠে কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই নাঈম ইসলাম রনি নিজেকে ‘তরুণ সমাজসেবক’ হিসেবে তুলে ধরে আধুনিক নলটোনা গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। তাঁর ইশতেহারে নদী ভাঙন রোধ, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার থাকলেও সচেতন মহলের দৃষ্টি এখন ভিন্ন দিকে। নিষিদ্ধ সংগঠনের একজন সক্রিয় সাবেক নেতা হিসেবে তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে কতটা টেকসই হতে পারবেন, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

​নলটোনার সাধারণ ভোটারদের মধ্যে রনিকে নিয়ে তৈরি হয়েছে দ্বিধাবিভক্তি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ভোটার জানান, “তরুণ হিসেবে রনি উদ্যমী, কিন্তু একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের তকমা তাঁর গায়ে থাকায় সাধারণ মানুষের মনে এক ধরণের শঙ্কা কাজ করছে।” অন্যদিকে, তাঁর সমর্থকরা উন্নয়নের দোহাই দিলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জন্য এই রাজনৈতিক পরিচয়টি একটি মোক্ষম অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্রলীগকে সরকার নিষিদ্ধ করার পর ওই সংগঠনের পদধারী ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা নৈতিক ও কৌশলগতভাবে বেশ চ্যালেঞ্জিং। প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মধ্যে একজন নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতার এমন প্রকাশ্য প্রচারণা বরগুনার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অনেকের প্রশ্ন- নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি কীভাবে দেখবে?

​নিষিদ্ধ সংগঠনের সাথে অতীত সম্পৃক্ততার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও নাঈম ইসলাম রনি তাঁর বক্তব্যে কৌশলী অবস্থান নিচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমি এই মাটির সন্তান, মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি কেবল উন্নয়ন নিয়ে ভাবছি সাধারণ জনগণই আমার মূলশক্তি।

​বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রশাসনের কড়া নজরদারির মাঝে রনির এই প্রচারণাকে ‘সাহসী’ মনে করছেন কেউ কেউ, আবার কেউ বলছেন এটি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’। শেষ পর্যন্ত উন্নয়নের ইশতেহার নাকি নিষিদ্ধ সংগঠনের তকমা- কোনটি ভোটারদের প্রভাবিত করে, তা দেখতে মুখিয়ে আছে পুরো বরগুনা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই