1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
রিকশাচালক বাবার দুই 'রাজকন্যা'র স্বপ্নপূরণ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বুশরা ও তৃষা - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নরসিংদীতে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের মাঠমুখী উদ্যোগ মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সরাসরি অংশগ্রহণ, সমস্যার সমাধানে জোর সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় নতুন দিগন্ত: ‘জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি (JRIS)’ আজ রবিবার ৩.রা, মে, বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। নরসিংদীতে RAB বাহিনীর অভিযানের খবরে ছাদ থেকে লাফ, মাদক মামলার আসামি কাসেমের মৃত্যু টাউয়াদিতে চার দিনেও মেলেনি সহায়তা, খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন বোন-ভগ্নিপতিকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা, বাবা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা নড়াইলে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ কনস্টেবলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার কোটচাঁদপুরে বাছুরসহ গাভী জবাই,মাংস ব্যবসায়ীর অর্থদণ্ড গণমাধ্যম নীতিমালা বাস্তবায়নে সমন্বয়ের অভাব, নকল সাংবাদিক দমনে স্বচ্ছতার তাগিদ বিশ্লেষকদের

রিকশাচালক বাবার দুই ‘রাজকন্যা’র স্বপ্নপূরণ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বুশরা ও তৃষা

মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল ইস্টাপ রিপোর্টার,ঝিনাইদহে।
  • Update Time : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০৪ Time View

 

রিকশার প্যাডেলে ঘোরানো চাকার সাথে তাল মিলিয়ে বাবা আব্দুল আউয়ালের স্বপ্নগুলোও যেন ঘুরপাক খেত। দিনের পর দিন ঘাম ঝরিয়ে, রিকশার চাকা ঘুরিয়ে তিনি কেবল সংসারই চালাননি, বুনে চলেছিলেন দুই মেয়ে বুশরা ও তৃষার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। যশোরের মণিরামপুরের রিকশাচালক আব্দুল আউয়ালের দুই মেয়ে বুশরা ও তৃষা দুজনেই একই সাথে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
এ যেন এক রূপকথার গল্প! দারিদ্র্যের কষাঘাত আর কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও হার না মানা এক বাবার অদম্য চেষ্টা এবং দুই মেয়ের অধ্যবসায় ও মেধার ফসল এটি। ছোটবেলা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখতেন বুশরা ও তৃষা। সেই স্বপ্ন পূরণের পথে বহু বাধা অতিক্রম করেছেন তারা। বাবার সামান্য আয়ে যখন সংসার চালানোই কঠিন, তখন লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া ছিল এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আব্দুল আউয়াল তার মেয়েদের স্বপ্ন পূরণে পিছপা হননি। নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন তাদের পেছনে।
আজ তার সেই আত্মত্যাগ সার্থক। বুশরা ও তৃষা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাননি, তারা প্রমাণ করেছেন যে ইচ্ছা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে যেকোনো বাধাই অতিক্রম করা সম্ভব। তাদের এই সাফল্য অসংখ্য তরুণ-তরুণীর জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। রিকশাচালক বাবার দুই ‘রাজকন্যা’ এখন জ্ঞান অর্জনের নতুন পথে পা রেখেছেন। তাদের এই পথচলা শুভ হোক, এবং তারা যেন দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে, এই আমাদের প্রত্যাশা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই