1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
চার দিনেও মেলেনি সহায়তা, খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নরসিংদীতে RAB বাহিনীর অভিযানের খবরে ছাদ থেকে লাফ, মাদক মামলার আসামি কাসেমের মৃত্যু টাউয়াদিতে চার দিনেও মেলেনি সহায়তা, খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন বোন-ভগ্নিপতিকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা, বাবা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা নড়াইলে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ কনস্টেবলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার কোটচাঁদপুরে বাছুরসহ গাভী জবাই,মাংস ব্যবসায়ীর অর্থদণ্ড গণমাধ্যম নীতিমালা বাস্তবায়নে সমন্বয়ের অভাব, নকল সাংবাদিক দমনে স্বচ্ছতার তাগিদ বিশ্লেষকদের নরসিংদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত: অধিকার রক্ষার লড়াই হোক উৎসবের চেয়েও বড় হিজবুত তাওহীদে যোগদান: দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ ও যাচাই-বাছাইয়ের পর সদস্য হওয়ার দাবি। ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বালু বোঝাই ট্রলি দুর্ঘটনায় চালকের মৃত্যু

চার দিনেও মেলেনি সহায়তা, খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:
  • Update Time : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৪৩ Time View

মেঘনা নদীর ভয়াল ভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর পর বহু কষ্টে গড়ে তোলা শেষ আশ্রয়টুকুও কেড়ে নিয়েছে কালবৈশাখী ঝড়। নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কৃষক জসিম উদ্দিন এখন স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জানা গেছে, উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন একসময় মেঘনা নদীর ভাঙনে নিজের বসতভিটা হারান। পরে অন্যের জমিতে আশ্রয় নিলেও বেড়িবাঁধ নির্মাণের সময় সেখান থেকেও সরে যেতে বাধ্য হন। সবশেষে বেড়িবাঁধের পাশের খাস জমিতে টিন ও বাঁশ দিয়ে ছোট্ট একটি ঘর নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন।

কিন্তু গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে মুহূর্তেই গুঁড়িয়ে যায় তাদের সেই শেষ আশ্রয়। ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরের টিন উড়ে যায়, বাঁশ ভেঙে পড়ে এবং পুরো ঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে একসময় ছিল ছোট্ট একটি বসতঘর, সেখানে এখন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ভাঙা টিন, ছিন্ন বাঁশ ও বিধ্বস্ত ঘরের বিভিন্ন অংশ। খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে পরিবারের ব্যবহার্য সামগ্রী।

ঝড়ের চার দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ করেন জসিম উদ্দিন। নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে তার।

জসিম উদ্দিনের স্ত্রী অজিবা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,“আমাদের থাকার মতো আর কোনো জায়গা নেই। যেটুকু ছিল, সেটাও শেষ হয়ে গেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না, বসে বসেই রাত কাটাতে হয়।”

অসহায় জসিম উদ্দিন বলেন,“নদী আমাদের ভিটেমাটি নিয়েছে, বাঁধের সময় আশ্রয় হারিয়েছি। শেষমেশ এই ছোট ঘরটাই ভরসা ছিল। কালবৈশাখী সেটাও কেড়ে নিল। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব বুঝতে পারছি না।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে এমন অনেক পরিবার বছরের পর বছর নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছে। কিন্তু একের পর এক দুর্যোগে তাদের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তারা দ্রুত ভুক্তভোগী পরিবারটির জন্য স্থায়ী ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন,“বিষয়টি শুনেছি। খোঁজ নিয়ে তাদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই