1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
বিএনপি নেতার হাতে নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম ! - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিএনপি নেতার হাতে নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম ! দুই দায়িত্বে আলোচিত নোয়াখালীর রাজনীতিবিদ হারুনুর রশিদ আজাদ “আমি কোন নেতা নই আমি শ্রমিকদের ভাই: এহতেশামুল হক শাহীন” শ্রীমঙ্গলে জমি দখলের চেষ্টা, হামলার অভিযোগ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি ঐতিহাসিক ঘোষণার পর থেকে পুরো দেশ পরিচালিত হচ্ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একক নেতৃত্বে। কমলনগরে হুফফাজুল কুরআন প্রতিযোগীতা পুরস্কার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল বীরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে শিশুদের প্রচার অভিযান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নরসিংদী জেলা জার্নালিস্ট এন্ড রাইটার্স সোসাইটির উদ্যোগে “ঈদ সামগ্রী বিতরণ” ঝালকাটির কাঠালিয়ায় সংবাদ প্রচারের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকির অভিযোগ ঝিনাইদহে নব-নির্বাচিত এমপিদের সংবর্ধনা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি

বিএনপি নেতার হাতে নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম !

প্রতিবেদক বার্তা সম্পাদকঃ-দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ !
  • Update Time : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৮ Time View

বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম!

যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় সোমা সাহা (৩৮) নামে এক গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বনানী রোড এলাকায় এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সোমা সাহা ওই এলাকার অখিল কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী এবং বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সোমা সাহার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে সে কাঠের লাঠি দিয়ে সোমা সাহার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে—বিএনপির পুরনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ রাজনীতি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদা দাবি করা এবং হামলা চালানো যেন তাদের পুরোনো কৌশলই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বাংলাদেশ একসময় দেখেছে বিএনপির সেই অন্ধকার শাসনামল, যখন সংখ্যালঘু পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত হামলা, লুটপাট ও নির্যাতনের শিকার হতো। আজ যশোরের এই ঘটনা সেই ভয়াবহ সময়ের কথাই আবার মনে করিয়ে দিচ্ছে।

দেশ কি আবার সেই সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর সংখ্যালঘু নির্যাতনের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে? যশোরের এই হামলা শুধু একটি পরিবারের ওপর আক্রমণ নয়, এটি আইনের শাসন ও মানবিক নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই