1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
অগ্নিঝরা ঐতিহাসিক ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে অসহযোগ আন্দোলনের দিনগুলোতে। - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ফরিদপুর শ্রমিক দলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। বহরপুরে পাটের গোডাউনে আগুন, দুই ঘন্টার চেষ্টা নিয়ন্ত্রণে, আহত ৩ ফায়ার ফাইটার বাঙালী জাতির ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোতে বাধা, অত্যাচার-নির্যাতন এবং গ্রেফতারের প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি ! ফরিদপুর শ্রমিক দলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। মৌলভীবাজার এক নারীকে ফিলিং স্টাইলে অপহরণ করার চেষ্টা নোয়াখালী চাটখিলে কিশোর অটোচালক হত্যার ঘটনায় দেড় মাসের মাথায় র‍্যাবের জালে ৩ ঘাতক “ স্বাধীনতা যুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর নামেই শুরু হয়েছিল”—বলেন মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন (বীরবিক্রম) “স্থবীরতা ফিরেছে স্বাস্থ্য খাতে”শহর ও গ্রামের ব্যবধান সরকারি ও বেসরকারি সেবার বৈষম্য,অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও কার্যকর ব্যবস্থাপনার অভাব ৭.ই মার্চ ১৯৭১ রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন বাঙালির মুক্তির সনদ। সারা দেশে ফিলিং স্টেশনে ভিড়, শ্রীমঙ্গলের সখিনা ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত তেল মজুদ

অগ্নিঝরা ঐতিহাসিক ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে অসহযোগ আন্দোলনের দিনগুলোতে।

প্রতিবেদক ও সম্পাদকঃ-জাতীয় দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ.৭১ !!
  • Update Time : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৬২ Time View

বঙ্গবন্ধু একাত্তরের মার্চেই বিকল্প সরকার পরিচালনা করেন…………..

বাংলাদেশ কেবল স্বাধীনতা অর্জন নয়, প্রশাসন পরিচালনা,আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার জন্যও যে প্রস্তুত,সেটা স্পষ্ট হয়ে যায় ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে অসহযোগ আন্দোলনের দিনগুলোতে।
৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন,আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাছারি আদালত-ফৌজদারি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালেল জন্য বন্ধ থাকবে।

সেক্রেটারিয়েট,সুপ্রিমকোর্ট,হাইকোর্ট,জজকোর্ট,সেমি- গভর্নমেন্ট দপ্তর,ওয়াপদা কোনো কিছু চলবে না।

২৮ তারিখে কর্মচারীরা বেতন নিয়ে আসবেন যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হচ্ছে ততদিন খাজনা ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো-কেউ দেবে না।

লক্ষণীয় যে বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে পূর্ব পাকিস্তান নয়, ‘বাংলাদেশ’ বলেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে ১ মার্চ থেকেই বাংলাদেশ ভূখণ্ডে পাকিস্তান সরকার কিংবা মার্শাল ল’ কর্তৃপক্ষের কোনো নির্দেশ কার্যকর হচ্ছিল না।

জেলা, মহকুমা ও থানা প্রশাসন এবং পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী (গোয়েন্দা বিভাগসহ) চলছিল ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর সড়ক থেকে আসা নির্দেশ মোতাবেক। সচিবালয়ের কর্মকর্তারা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করে তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার অঙ্গীকার করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের শীর্ষ অফিসার এবং ব্যবসায়ীদের সংগঠনের নেতারাও একই পথে চলতে থাকেনন্মনে রাখতে হবে, সে সময় প্রতিদিন বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে অসংখ্য মিছিল আসত এবং বঙ্গবন্ধু বাড়ির ব্যালকনি ও গেটে এসে জনগণের সঙ্গে দেখা করতেন, বক্তব্য রাখতেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও আসতেন।

১৬ মার্চ থেকে শুরু হয় ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আলোচনার জন্য পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় আসেন ১৫ মার্চ। বঙ্গবন্ধু তাকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নয়,বাংলাদেশের অতিথি বা গেস্ট’ হিসেবে বর্ণনা করেন। সে সময় পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর ঢাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত জনসংযোগ কর্মকর্তা সিদ্দিক সালেক তাঁর ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’গ্রন্থে লিখেছেন, ‘ইয়াহিয়া ঢাকা বিমানবন্দর থেকে প্রেসিডেন্ট হাউসে কীভাবে যাবেন সেটা নিয়ে আলোচনার সময় ঢাকার বাঙালি পুলিশ সুপার আনন্দের সংবাদ দেন যে শেখ সাহেব To avoid embarrassment to his guest, ফার্মগেট চেকপোস্ট অপসারণে সদয়সম্মতি প্রদর্শন করেছেন।’ [পৃষ্ঠা ৫৯]

আমরা জানি, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অতিথি আসেন ভিন্ন রাষ্ট্র থেকে কোনো স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রে। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানকে ভিন্ন রাষ্ট্র এবং বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবেই গণ্য করেন।

ইয়াহিয়া খানের ঢাকায় আসার প্রাক্কালে সামরিক কর্তৃপক্ষ এমএলআর ১১৫ জারি করে অনুপস্থিত সকল সরকারি অফিসার ও কর্মচারীকে ১৫ মার্চের মধ্যে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান করে। অন্যথায় কোর্ট মার্শাল করে কঠোর শাস্তি প্রদানের হুমকি দেওয়া হয়। কিন্তু কেউ এ নির্দেশ পালন করেনি। ২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সর্বত্র বাংলাদেশ-এর পতাকা উত্তোলনের আহ্বান জানালে তা পালিত হয়। বঙ্গবন্ধু তাঁর গাড়িতে এ পতাকা লাগিয়েই ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন।

অন্যদিকে, ১৫ মার্চ থেকে অসহযোগ আন্দোলনের নয়া নির্দেশাবলী ঘোষণা করা হয় বঙ্গবন্ধুর বাসভবন থেকে, যা ততদিনে ‘বাংলাদেশ-এর সচিবালয়ে’ পরিণত হয়েছে। এতে ছিল ৩৫টি নির্দেশ, যার প্রথমটি ছিল সরকারী সংস্থাসমূহের প্রতি, যাতে বলা হয়- ‘নিম্নে বর্ণিত বিশেষ নির্দেশাবলী এবং বিভিন্ন সময়ে যে সব ছাড় ও ব্যাখ্যা দেওয়া হবে তা সবাই মেনে চলবেন’। তিন নম্বর নির্দেশ ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত, যাতে বলা হয় পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রয়োজনবোধে আওয়ামী লীগ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সাথে যোগ দেবে।

বন্দর, আমদানি বাণিজ্য, সড়ক ও রেলওয়ে, ডাক বিভাগ ও টেলিফোন বিভাগকে ৭ মার্চ থেকেই হরতালের আওতামুক্ত ঘোষণা করা হয়। অসহযোগ আন্দোলনের সময় এ সব প্রতিষ্ঠান কীভাবে কাজ করবে সেটা ৪ থেকে ১০ নম্বর নির্দেশে স্পষ্ট করে বলা হয়।
১১ নম্বর নির্দেশে বলা হয়, বেতার- টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে গণআন্দোলন সম্পর্কিত বক্তব্য-বিবৃতি- সংবাদ প্রচার করা হবে। হাসপাতাল, বিদ্যুৎ বিভাগ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ বিভাগগুলো কীভাবে কাজ করবে সেটা স্পষ্ট করার পাশাপাশি কৃষি খাত, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নির্মাণ কাজ যেন সচল থাকে সে জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

২৫ ও ২৬ নম্বর নির্দেশ ছিল ব্যাংকিং কার্যক্রম সংক্রান্ত। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেভাবে কাজ করে, অসহযোগ আন্দোলনের সময় আমরা সেই ভূমিকাই পালন করতে দেখি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পরিচালিত ‘বিকল্প প্রশাসনকে’। ৩১ নম্বর নির্দেশে বলা হয়- কোনো খাজনা-ট্যাক্স আদায় করা যাবে না। তবে প্রাদেশিক সরকারের কর আদায় করা যাবে এবং ‘বাংলাদেশ সরকারের অ্যাকাউন্টে তা জমা দিতে হবে।’ এতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয় যে কেন্দ্রীয় সরকারের পরোক্ষ কর আদায় করলেও তা কেন্দ্রীয় সরকারকে না দিয়ে ‘বাঙালি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই