1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
অবৈধ দেশদ্রোহী জঙ্গি ইউনুস সরকার, যার কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই, - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাঁথিয়ায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি শামসুর রহমানের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত ?? জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল আহ্বায়ক হুমায়ুন সজিবের নামে প্রচারিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ?? অবৈধ দেশদ্রোহী জঙ্গি ইউনুস সরকার, যার কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই, ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি অবৈধ ইউনূস,জামায়াত আর আমেরিকা: ভারত,রাশিয়া, চীনকে ঠেকাতে বাংলাদেশকে বলি দেওয়ার ত্রিমুখী আঁতাত  লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি? পুংগলী আমিনা মোস্তফা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতা পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত। কমলনগরে ইটভাটা শ্রমিককে অপহরণের চেষ্টা, নারীসহ ৫জনকে পিটিয়ে আহত ‎ যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার? কোথায় আজ মানবতা,নিরব জাতি কাঁদছে দেশ কবে হবে এই নিষ্ঠুরতার শেষ!

অবৈধ দেশদ্রোহী জঙ্গি ইউনুস সরকার, যার কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই,

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ-জাতীয় দৈনিক বাংলার মুক্তকণ্ঠ ৭১
  • Update Time : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৭ Time View

২৪ এর জুলাই মাসে রক্তের বন্যায় ভাসিয়ে যে লোকটা ক্ষমতা দখল করেছিলো, সে এখন দেশটাকে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দিচ্ছে। মুহাম্মদ ইউনুস আর তার দোসররা জানে তাদের সময় শেষ। ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সামনে। তাই এখন যত পারো লুটে নাও, যা পারো বেঁচে দাও, দেশের ভবিষ্যৎ যেন নতুন সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করে যাও। এটাই চলছে এখন।

একটা অবৈধ সরকার, যার কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই, যাকে জনগণ ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসায়নি, সে কোন অধিকারে ৩৩ বছরের চুক্তি করছে? চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া টার্মিনাল ডেনমার্কের কোম্পানিকে তুলে দেওয়া হলো। নিউ মুরিং টার্মিনাল দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার তোড়জোড়। পানগাঁও নদীবন্দর সুইজারল্যান্ডের হাতে ২২ বছরের জন্য। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার, এসব চুক্তিতে কোনো উন্মুক্ত দরপত্র হয়নি। মানে কে কত কম দামে ভালো সেবা দেবে সেটা যাচাই করার কোনো প্রক্রিয়াই মানা হয়নি। সরাসরি দেশের সম্পদ তুলে দেওয়া হচ্ছে বিদেশি প্রভুদের হাতে।

ইউনুস চক্রের এই কাজকর্ম দেখলে মনে হয় তারা নতুন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি খুলে বসেছে। ব্রিটিশরা যেভাবে এদেশে এসে ব্যবসার নামে দেশ দখল করেছিল, এখন সেই একই খেলা চলছে। পার্থক্য শুধু এটুকু যে এবার দালালরা দেশেরই লোক। ইউনুস আর তার উপদেষ্টারা ওয়াশিংটনের পোষা কুকুর হয়ে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিচ্ছে।

বিমান বাংলাদেশের জন্য ১৪টা বোয়িং বিমান কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এয়ারবাসের সাথে তুলনা করা হয়নি। কেন? কারণ ট্রাম্প প্রশাসনকে খুশি রাখতে হবে। আমেরিকা পোশাক রপ্তানিতে শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে, তার বদলে বোয়িং বিমান কিনতে হবে। দেশের টাকায়, সরকারি গ্যারান্টি দিয়ে। আর বিমান বাংলাদেশের বোর্ডে নতুন করে বসানো হয়েছে কাদের? খলিলুর রহমান, ফয়েজ আহমেদ তাইয়্যেব, আখতার আহমেদ। এরা কি বিমান চালনায় বিশেষজ্ঞ? না, এরা হলো ইউনুসের বিশ্বস্ত লোক যারা এই ডিলটা নিশ্চিত করবে।

এলএনজি কেনা হচ্ছে সরাসরি আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর থেকে। উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের খরচ বেড়েছে ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা। মোট খরচ এখন দেড় লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি। কে দেবে এই টাকা? পরবর্তী সরকার। ইউনুসের কিছু যায় আসে না।

দেশে এখন ২৬৪৬টা রিক্রুটিং এজেন্সি। গত কয়েক মাসে আরও ২৫২টা নতুন লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। কেন? এই এজেন্সিগুলো দরিদ্র মানুষদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়ে বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয়, তারপর তাদের ঠকায়। মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এসব দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানো বন্ধ হয়ে গেছে কারণ এই এজেন্সিগুলোর দুর্নীতি। আর এখন ২০২৫ সালে ভূমধ্যসাগর দিয়ে অবৈধ পথে ইউরোপ যাওয়া মানুষের তালিকায় বাংলাদেশ এক নম্বরে। ২২ হাজারের বেশি মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছে। আর ইউনুস সরকার আরও এজেন্সি খুলে দিচ্ছে।

র‍্যাবের জন্য ১৬৩টা গাড়ি কেনা হচ্ছে। এই র‍্যাব যে বাহিনীটাকে ইউনুস সরকারের নিজের গুম তদন্ত কমিশন বিলুপ্ত করার সুপারিশ করেছে, যাকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বন্ধ করে দিতে বলেছে, সেই র‍্যাবের জন্য নির্বাচনের ঠিক আগে গাড়ি কেনা হচ্ছে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব বলছেন প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে কিনবেন কারণ সরকারি টাকা সরকারেই থাকবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নির্বাচনের আগে কেন? র‍্যাবকে কি নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে?

সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো বেতন কমিশনের প্রস্তাব। সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বছরে এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা বাড়তি খরচ হবে। যে সরকারের কোষাগার এমনিতেই শূন্য, যে দেশ ঋণের বোঝায় ডুবে যাচ্ছে, সেখানে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে কেন? কারণ সরকারি কর্মচারীদের খুশি রাখতে হবে। তারা যেন পরবর্তী সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায়, এই বেতন বৃদ্ধি না হলে তারা যেন কাজ না করে।

একনেক সভায় ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকার ২৫টা প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে জানুয়ারির শেষে। নির্বাচনের দুই সপ্তাহ আগে। এটা কি স্বাভাবিক? না, এটা পরিকল্পিত। পরবর্তী সরকার যেন কিছু করতে না পারে, তার আগেই সব টাকা খরচ করে ফেলো। মীরসরাইয়ে ৮৫০ একর জমিতে প্রতিরক্ষা শিল্প অঞ্চল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই জমি ভারতের জন্য বরাদ্দ ছিল, এখন সেটা বাতিল করে নতুন প্রকল্প। এসব সিদ্ধান্ত কোন অধিকারে নেওয়া হচ্ছে?

১১৮ জন যুগ্ম সচিবকে অতিরিক্ত সচিব বানানো হয়েছে। এরা কারা? ইউনুস সরকারের আমলে যারা বিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়েছে তারা। এখন এদের পদোন্নতি দিয়ে পরবর্তী সরকারের সময়েও এরা যেন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কাজে বাধা দিতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ভাতা বাড়ানো আর উপকারভোগী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন করবে পরবর্তী সরকার। কিন্তু সিদ্ধান্ত নিয়ে যাচ্ছে ইউনুস। কোন যুক্তিতে? যদি সত্যিই দরিদ্রদের সাহায্য করতে চাইতেন তাহলে এখনই, চলতি অর্থবছরেই ভাতা বাড়াতেন। কিন্তু না, পরের সরকারের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন এটা মৌলিক নীতিগত লঙ্ঘন। আনু মুহাম্মদ বলেছেন এটা আগের স্বৈরাচারী শাসনের মতোই। কিন্তু ইউনুস আর তার দল পরোয়া করছে না। তারা জানে তাদের সময় শেষ। নির্বাচনের পর তাদের আর কোনো জবাবদিহিতা থাকবে না। তারা চলে যাবে। তাই এখন যা করার করে ফেলো। চুক্তি করে ফেলো। টাকা খরচ করে ফেলো। নতুন সরকার এসে যেন কিছুই করতে না পারে।

এই হলো মুহাম্মদ ইউনুসের আসল চেহারা। যে লোক গ্রামীণ ব্যাংক দিয়ে গরিব মানুষের কাছ থেকে সুদ নিয়ে কোটিপতি হয়েছে, সে এখন পুরো দেশটাকেই বিক্রি করে দিচ্ছে। জুলাইয়ে হাজার হাজার তরুণের রক্তের বিনিময়ে যে ক্ষমতা দখল করেছে, সেই ক্ষমতা ব্যবহার করে এখন দেশদ্রোহিতা করছে। আর তার সাথে আছে তার দোসররা, যারা নিজেদের ব্যক্তিগত ফায়দা লুটে নিচ্ছে।

এটা কোনো সাধারণ সরকারের স্বাভাবিক কাজকর্ম নয়। এটা সুপরিকল্পিত ডাকাতি। দেশের ভবিষ্যৎ বন্ধক রেখে দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার যেন কিছুই করতে না পারে, সেই ফাঁদ পাতা হচ্ছে। আর সবচেয়ে লজ্জার ব্যাপার হলো, যে সংস্কারের কথা বলে ইউনুস ক্ষমতায় এসেছিল, সেই সংস্কারের একটাও হয়নি। কিন্তু দেশ বেচাবিক্রির কাজ চলছে পুরোদমে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই