1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাজবাড়ীতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, অপহৃতকে উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৫ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবাগতদের বরণ অনুষ্ঠিত কলম, খাতা আর ক্যামেরার গল্পে দুই দশকের সংগ্রাম ও সাফল্য নরসিংদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার ৪ সাঁথিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন কমলনগরে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা বর্ষবরণ উদযাপন বাংলাদেশে ভয়াবহ ৫ আগস্টে নবম পদাতিক ডিভিশনকে কেন থামিয়ে রাখা হয়েছিল? সৌদি থেকে ফেরার পরই গ্রেপ্তার চাটখিলের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা স্বপন পরিবারে দাবি হত্যা,আরব আমিরাতে বাংলাদেশী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার খোঁজ মিলছে না মাদ্রাসা ছাত্রের, উদ্বিগ্ন পরিবার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির

স,ম,জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম জেলা স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • Update Time : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৪২ Time View

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে বিভিন্ন মঠ মন্দিরের সাধুগণ গণসমাবেশের শুভ সূচনা
সনাতনী সম্প্রদায়ের ৮ দফা দাবি দ্রত বাস্তবায়নের ডাক

স ম জিয়াউর রহমান :
বাংলাদেশ সম্মিলিত সংখ্যালঘু জোটের উদ্যোগে গতকাল ৪ অক্টোবর,শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে সারাদেশ ব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের বাড়িতে ও মন্দিরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, দেশত্যাগের হুমকি, সীমান্তে হত্যার বিচার, ধর্ম অবমাননার দায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্মুখে উৎসব মণ্ডল কে অমানবিক ও আইনবহির্ভূতভাবে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা, দেবোত্তর সম্পত্তি দখল, রংপুরে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর জবরদস্তি এবং চট্টগ্রামে গণেশ প্রতিমার উপর হামলাসহ অন্যায়-অবিচার বন্ধে, ভুক্তভোগীদের সাহায্য ও অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করণের এবং পূর্ব ঘোষিত অন্তবতীকালীন সরকারের কাছে ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে এই গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রাদদেশে সনাতনী সম্প্রদায়ের এই বিশাল মহাসমাবেশ হয়েছে। জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে হিন্দু সম্প্রদায়ের এই গণ সমাবেশ দেশব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন এর দাবীতে এই মহাসমাবেশ লোকে লোকারন্য হয়েছে।সমাবেশ থেকে বক্তারা বলেন এক কথা ১ দাবি মানতে হবে ৮ দফা দাবি।সন্ধ্যা পর্যন্ত এই দাবীতে শহীদ মিনারে এবং বিশ্ববিদ্যালয় এর আশেপাশের এলাকায় তিল পরিমাণ জায়গা ছিল না।
গণসমাবেশ এর সূচনালগ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শংঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে বিভিন্ন মঠ-মন্দিরের সাধুগণ মহাসমাবেশ সফল করে।
হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সরকারের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয় জোটের পক্ষ থেকে। অধ্যাপক ধীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্মল বিশ্বাস, প্রসেনজিৎ কুমার হালদার, রাজেশ নাহা, পিযুষ দাসের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম আর্ন্তজাতিক ভাবনামৃত সংঘ, ইস্কন- এর সাধারণ সম্পাদক লীলারাজ ব্রহ্মচারী, চট্টগ্রাম পুঞ্জরিক ধামের অধ্যক্ষ চিনায় কৃষ্ণ দাস, শ্রীমং রবীশ্বানন্দ পুরী মহারাজ, শ্রীমং স্বরুপ দাস বাবাজী মহারাজ, শ্রীমং গোপীনাথ দাস ব্রহ্মচারী, প্রফেসর চন্দন সরকার, সুমন গোস্বামী পুলক।
বাংলাদেশ সম্মিলিত সংখ্যালঘু জোটের প্রতিনিধি প্রসেঞ্জিত কুমার হালদার, রনি রাজবংশী, দেবব্রত সরকার, জাগো হিন্দু পরিষদের চট্টগ্রামের টিটু শীল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ হিন্দু পরিষদের সাবেক হিন্দু পরিষদের বিকাশ চন্দ্র দাস, নারায়ন গঞ্জ জেলা সভাপতি প্রকৌশলী উত্তম কুমার দাস, হিন্দু যুব পরিষদের সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি মনোদীপ মন্ডল, নির্মল বিশ্বাস, প্রদীপ কান্তি দে, সনাতনী অধিকার আন্দোলনের প্রতিনিধি সাজেন কৃষ্ণ বল, বাংলাদেশ সচেতন সনাতনী নাগরিকের এডভোকেট সুশান্ত অধিকারী, বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ কেন্দ্র কমিটির সভাপতি দিপঙ্কর সিকদার দীপু, মুখপাত্র সাজন কুমার মিশ্র, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সভাপতি আশীষ চন্দ্র দাশ, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুমন কুমার রায়, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব পলাশ কান্তি দে, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত অধিকারী, বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশনের মহাসচিব সাংবাদিক শ্যামল কান্তি নাগ, সারদাঞ্জলী ফোরামের মহানগর সভাপতি রতন চন্দ্র পাল ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লিটন পাল। মহাসমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করেন জাগো হিন্দু পরিষদ হরিজন ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান পরিষদ, ভক্ত সংঘ সোসাইটি, ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম, সুহৃদ বাংলাদেশ।বক্তারা আট দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা পুর্নব্যক্ত করেন। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী সকল ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সমান অধিকার দাবি করে আট দফা দাবি বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকাররের প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানান।
পূর্বঘোষিত আট দফা দাবি পেশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী শ্রাবনী সরকার এবং তার যোক্তিকতা তুলে ধরেন। বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ ও বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুমন কুমার রায় আগামী ২৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম লালদিঘি ময়দানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশের ঘোষণা দেন। সমাবেশের সভাপতি আট দফা দাবিসহ আসন্ন দুর্গা পূজায় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বারোপ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে পেশকৃত ০৮ (আট) দফা দাবীসমূহ নিম্নে তুলে ধরা হলো।
১. সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারের জন্য “নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন” গঠনের মাধ্যমে
“দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল” গঠনপূর্বক দোষীদের দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান,
ক্ষতিগ্রস্থদের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
২. অনতিবিলম্বে “সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন করতে হবে।
৩. “সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয়” গঠন করতে হবে।
৪. হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে হিন্দু ফাউন্ডেশনে উন্নীত করতে হবে। পাশাপাশি বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকেও ফাউন্ডেশনে উন্নীত করতে হবে।
৫. দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ আইন” প্রণয়ন এবং “অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ” আইন যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে।
৬. সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও সকল উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য উপাসনালয় নির্মাণ এবং প্রতিটি হোস্টেলে প্রার্থনা কক্ষ বরাদ্দ করতে হবে।
৭. “সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড” আধুনিকায়ন করতে হবে।
৮. শারদীয় দুর্গাপূজায় ৫ দিন ছুটি দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রধান প্রধান ধর্মীয় উৎসবে প্রয়োজনীয় ছুটি প্রদান করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই