1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
শেখ হাসিনা সরকার পুরো দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নড়াইলে মোসা. মুন্নি বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন নড়াইলের লোহাগড়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক, স্বামী গ্রেপ্তার রাজবাড়ীর কালুখালীতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা ৯ নং পোড়াহাটি ইউনিয়ন মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য “কেন্দুয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন করলেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডঃ রফিকুল ইসলাম হিলালী” জনপ্রতিনিধিদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন: ‘শুধু সাংবাদিকদের কেন? লেখক: মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী, সভাপতি, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি, কেন্দ্রীয় কমিটি। গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সেনবাগ বাজারে ফুটপাত ও সড়ক যেন ব্যবসায়ীদের শোরুম, জিম্মি পথচারীরা নড়াইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ বীরগঞ্জে কাশিমনগর বাঁধ ও কাচারিপাড়া ওয়াবদা পাড় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম

শেখ হাসিনা সরকার পুরো দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৮৯ Time View

শেখ হাসিনা সরকার পুরো দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন

স্টাফ রিপোর্টার

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কী ক্ষতি করেছেন, বলতে পারেন?

উনি বাংলাদেশের অনেকগুলো ব্যাংক লুট করিয়েছেন উনার অনুগতদের দিয়ে। এইটাই সবচেয়ে বড় ক্ষতি। এই ক্ষতির ক্ষত বাংলাদেশকে বয়ে বেড়াতে হবে বহু বছর।

আজকের খবর অনুযায়ী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম একাই নিয়ে গেছেন ৫০,০০০ কোটি টাকা; প্রায় ৫০০ কোটি ডলার।

ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক আর ন্যাশনাল ব্যাংক- মোট আটটা ব্যাংক একাই দখল করে বসে ছিলেন এস আলম।

এক ব্যাংক থেকেই যদি ৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে থাকেন (এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া গিয়েছে, নিয়েছেন আরো বেশি), ৮ ব্যাংক থেকে কতো নিয়েছেন, ধারণা করেন।

এই লুটপাট এস আলম একা একা করতে পারেননি। এস আলমকে সহায়তা করেছে শেখ হাসিনার সরকারের অনেকগুলো অঙ্গ।

আপনি শিশু কিংবা পাগল না হলে এতোটুকু বুঝবেন, এই টাকাগুলো এস আলম একাই ভোগ করেননি। শেখ হাসিনা এবং তার বোনকেও ভাগ দিয়েছেন নিশ্চয়ই।

সবচেয়ে বিপদের কথা হলো, লুট করা টাকাগুলো দেশে নেই। ডলারে রুপান্তর হয়ে বিদেশে পাচার হয়ে গেছে বেশিরভাগ টাকা। সেই লুটপাট এর অনুসন্ধান বন্ধ করতে দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে ব্যবহার করেছেন শেখ হাসিনা।

বেসিক ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক- এরকম আরো অনেক ব্যাংকও লুটেছেন শেখ হাসিনার অন্যান্য লোকজন। অনেকগুলো লিজিং কোম্পানি লুট হয়েছে, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লুট হয়েছে, লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লুট হয়েছে। লুটপাট এমন মাত্রায় হয়েছে যে, সঠিক চিত্র তুলে আনাই মুশকিল।

এই লুটপাটের কারণে এখন দেশের ব্যাংকগুলো খালি। আমাদের টাকার পারচেজিং পাওয়ার দিনদিন কমছে। আমাদের সামনে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই