1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
সদাগরকান্দি গ্রামে সালিশকে কেন্দ্র করে ৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের অভিযোগ, এলাকাজুড়ে আলোচনা - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নড়াইলে মোসা. মুন্নি বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন নড়াইলের লোহাগড়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক, স্বামী গ্রেপ্তার রাজবাড়ীর কালুখালীতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা ৯ নং পোড়াহাটি ইউনিয়ন মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য “কেন্দুয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন করলেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডঃ রফিকুল ইসলাম হিলালী” জনপ্রতিনিধিদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন: ‘শুধু সাংবাদিকদের কেন? লেখক: মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী, সভাপতি, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি, কেন্দ্রীয় কমিটি। গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সেনবাগ বাজারে ফুটপাত ও সড়ক যেন ব্যবসায়ীদের শোরুম, জিম্মি পথচারীরা নড়াইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ বীরগঞ্জে কাশিমনগর বাঁধ ও কাচারিপাড়া ওয়াবদা পাড় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম

সদাগরকান্দি গ্রামে সালিশকে কেন্দ্র করে ৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের অভিযোগ, এলাকাজুড়ে আলোচনা

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি:- নরসিংদী।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৮ Time View

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি গ্রামে একটি নারী–পুরুষ সংশ্লিষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে ৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ থেকে ৪ দিন আগে সদাগরকান্দি উত্তরপাড়া এলাকায় প্রবাসী ফরিদ মিয়ার কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে মোল্লা বাড়ির বিদেশ ফেরত বেলায়েত মিয়াকে আটক করে পরবর্তীতে একটি সালিশ বসানো হয়। ওই সালিশে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ তোলা হয় বলে জানা গেছে। তবে এ অভিযোগকে সাজানো ঘটনা হিসেবে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রবাসী ফরিদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। তার দাবি, বেলায়েত মিয়া তার কাছে পাওনা টাকা চাইতে গিয়েছিল, কিন্তু ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে একটি পক্ষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছে।
অন্যদিকে, সালিশের মাধ্যমে উভয় পক্ষের ওপর মোট ৭ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ওই অর্থ পরবর্তীতে গ্রাম্য প্রভাবশালী ও সালিশে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে বণ্টনের পরিকল্পনা ছিল।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সালিশে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সালিশে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়—
১. খুরশিদ আলম (পিতা: শামসু মিয়া), খান্নাবাড়ি
২. মোশারফ হোসেন সাগর (স্থানীয় বিএনপি নেতা)
৩. রশিদ মেম্বার, উত্তরপাড়া
৪. রবিউল, উত্তরপাড়া
৫. বাচ্চু মিয়া, পূর্বপাড়া
৬. কাসেম মেম্বার, পূর্বপাড়া
৭. আক্তার মোল্লা, মোল্লা বাড়ি
সহ আরও অনেকে।
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন এটি একটি পারিবারিক ও অর্থনৈতিক বিরোধের ফল, আবার কেউ মনে করছেন ঘটনাটিকে বাড়িয়ে দেখিয়ে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী, যাতে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই