1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
৬ বছর বন্ধ স্কুল, তবুও সাধারণ সম্পাদক দাবী ! সেনবাগে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন নিয়ে তোলপাড় - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
“কেন্দুয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন করলেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডঃ রফিকুল ইসলাম হিলালী” জনপ্রতিনিধিদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন: ‘শুধু সাংবাদিকদের কেন? লেখক: মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী, সভাপতি, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি, কেন্দ্রীয় কমিটি। গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সেনবাগ বাজারে ফুটপাত ও সড়ক যেন ব্যবসায়ীদের শোরুম, জিম্মি পথচারীরা নড়াইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ বীরগঞ্জে কাশিমনগর বাঁধ ও কাচারিপাড়া ওয়াবদা পাড় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম নড়াইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ নোয়াখালী চাটখিলে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নারীকে মারধর করে আহত থানায় অভিযোগ করায় পুনরায় মারধর করার অভিযোগ শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজালাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর.! আয়মান হোসেন অপু নড়াইলে ইয়াবাসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার

৬ বছর বন্ধ স্কুল, তবুও সাধারণ সম্পাদক দাবী ! সেনবাগে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন নিয়ে তোলপাড়

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৮ Time View

নোয়াখালীর সেনবাগে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন (BKA) এর সাংগঠনিক কাঠামো ও গঠনতন্ত্র নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির সদস্যপদ বাতিল হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজেকে সেনবাগ উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কিন্ডারগার্টেন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির পর থেকে ২০২০ সাল হতে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মগুয়া এলাকায় অবস্থিত “আল আমিন একাডেমী” নামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অদ্যাবধি বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন (BKA) এর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠান বন্ধ বা বিলুপ্ত হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির সদস্যপদও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।

এই প্রেক্ষাপটে অভিযোগ উঠেছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো: জাকের হোসেন এর সদস্যপদ বাতিল হওয়ার পরও তিনি নিজেকে সেনবাগ উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন এবং সংগঠনের নামে নানা অনিয়ম করছেন বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন নেতা প্রশ্ন তুলেছেন—২০২০ সাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও সেনবাগ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কিভাবে তাকে বিভিন্ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখছে। একই সঙ্গে তারা জানতে চেয়েছেন, কেন একটি বিলুপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও তালিকাভুক্ত রয়েছে। তাদের মতে, বিষয়টি রহস্যজনক এবং এর পেছনে কোনো স্বার্থসংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মিজানুর রহমান বলেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যে কোনো কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠান বন্ধ বা বিলুপ্ত হলে সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির সদস্যপদও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।

অন্যদিকে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন বৃহত্তর নোয়াখালী আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের বলেন, সেনবাগ উপজেলা শাখায় দীর্ঘদিন ধরে মো: জাকের হোসেন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু তার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও যদি তিনি পদ আঁকড়ে থাকার চেষ্টা করেন, তাহলে তা শিক্ষকসুলভ আচরণের পরিপন্থী। এটি নিঃসন্দেহে ক্ষমতার প্রতি অতিরিক্ত আসক্তিরই প্রমাণ।

তিনি সেনবাগ উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সদস্যদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যার সদস্যপদ বাতিল হয়েছে তার সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ, সাংগঠনিক কার্যক্রম বা আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে হবে। যদি কেউ ব্যক্তিগতভাবে এ ধরনের লেনদেন করেন তবে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে; এতে এসোসিয়েশন কোনো দায় নেবে না।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, দীর্ঘ ছয় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিভাবে সরকারি তালিকায় রয়েছে এবং সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কীভাবে সংগঠনের পদ ব্যবহার করছেন—তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

স্থানীয় মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে—বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কি করে এখনো সংগঠনের প্রভাবশালী পদ ব্যবহার করছেন? বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক তদন্ত হলে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই