নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় চাচির বাবার বাড়িতে ঈদে ঘুরতে এসে মিনি কক্সবাজারখ্যাত মধুমতি নদীর লংকারচরে গোসলে নেমে তাসমিয়া (৯) নামে এক শিশু নিখোঁজের দুইদনি পর মরদহে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজলোর ইতনা ইউনিয়নের ডিগ্রিরচর এলাকার মধুমতি নদীর তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বড়দিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরর্দিশক (এসআই) এনায়েত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের দক্ষিন লংকারচরে মিনি কক্সবাজারখ্যাত মধুমতি নদীর চরে নিখোঁজ হয় তাসমিয়া। তাসমিয়া যশোরের সাতমাইল বাজার এলাকার শাহাবাজপুর গ্রামের মোহাম্মদ জিন্নাহর মেয়ে। সে উপজলোর মঙ্গলহাটা গ্রামের জাকিরের মেয়ে তার চাচি রেশমার সঙ্গে ঈদে বেড়াতে এসেছিলো। নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের সময় তাসমিয়া তার চাচি রেশমার বাবার বাড়ি লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের মঙ্গলহাটা গ্রামে বেড়াতে আসে। গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তাসমিয়া তার চাচি রেশমা ও অন্যান্যদের সাথে মিনি কক্সবাজারখ্যাত দক্ষিন লংকারচরের মধুমতি নদীতে ঘুরতে যায়। এসময় নদীতে গোসলে নেমে তাসমিয়া নিখোঁজ হয়। পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন তাকে খোঁজাখুজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। খবর পেয়ে লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজাখুজি করলেও তার সন্ধান পায়নি।
লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সোহাগউজ্জামান বলেন, গত বৃহস্পতিবার মধুমতি নদীতে একটি মেয়ে নিখোঁজের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। তবে মেয়েটি নিখোঁেজর সঠিক তথ্য না দেওয়ার কারণে খুলনা থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে আসেনি। আমরা স্থানীয়দের নিয়ে নদীতে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে বড়দিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই এনায়েত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।