ফেনীর দাগনভুইয়া উপজেলা-এর ভবানীপুর গ্রামে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে, যা ইতোমধ্যে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) এক অনার্স পড়ুয়া তরুণীর বিয়েকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, যা সামাজিকভাবে নিন্দার ঝড় তুলেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এলাকার সম্মানিত শিক্ষিকা সাথী ম্যাডামের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে পাত্রীর নিজ চাচাতো ভাই শাহাদাত ও রহমান দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিয়ের গেটের সামনে বাঁশ দিয়ে বেড়া তৈরি করে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে। এতে বিয়ের পরিবেশে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা।
স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় তারা বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ। একটি শিক্ষিত পরিবারের মেয়ের বিয়েতে এ ধরনের আচরণ শুধু অমানবিকই নয়, বরং সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। এলাকাবাসীর দাবি, এটি পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে এবং এর পেছনে ব্যক্তিগত ও প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্য রয়েছে।
ঘটনার পরপরই গ্রামবাসী বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানায় এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তোলে। এ বিষয়ে দাগনভুইয়া থানা-এ অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, তারা বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুল আউয়াল মিন্টু-সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হয়।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক অনুষ্ঠানে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
একটি আনন্দঘন বিয়ের অনুষ্ঠান এভাবে কলঙ্কিত হওয়ায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে হতাশার ছায়া। এখন দেখার বিষয়—প্রশাসন কত দ্রুত ও কার্যকরভাবে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত করতে পারে।