1. admin@banglarmuktokontho.com : admin :
৭.ই মার্চ ১৯৭১ রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন বাঙালির মুক্তির সনদ। - বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ফরিদপুর শ্রমিক দলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। বহরপুরে পাটের গোডাউনে আগুন, দুই ঘন্টার চেষ্টা নিয়ন্ত্রণে, আহত ৩ ফায়ার ফাইটার বাঙালী জাতির ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোতে বাধা, অত্যাচার-নির্যাতন এবং গ্রেফতারের প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি ! ফরিদপুর শ্রমিক দলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। মৌলভীবাজার এক নারীকে ফিলিং স্টাইলে অপহরণ করার চেষ্টা নোয়াখালী চাটখিলে কিশোর অটোচালক হত্যার ঘটনায় দেড় মাসের মাথায় র‍্যাবের জালে ৩ ঘাতক “ স্বাধীনতা যুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর নামেই শুরু হয়েছিল”—বলেন মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন (বীরবিক্রম) “স্থবীরতা ফিরেছে স্বাস্থ্য খাতে”শহর ও গ্রামের ব্যবধান সরকারি ও বেসরকারি সেবার বৈষম্য,অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও কার্যকর ব্যবস্থাপনার অভাব ৭.ই মার্চ ১৯৭১ রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন বাঙালির মুক্তির সনদ। সারা দেশে ফিলিং স্টেশনে ভিড়, শ্রীমঙ্গলের সখিনা ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত তেল মজুদ

৭.ই মার্চ ১৯৭১ রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন বাঙালির মুক্তির সনদ।

প্রতিবেদক বার্তা সম্পাদকঃ-
  • Update Time : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৪ Time View

বাধা উপেক্ষা করে হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত বজ্রকণ্ঠ: ৫৫ বছরে ৭ মার্চের অবিনাশী চেতনা

৭ মার্চ ১৯৭১। বাংলাদেশের ইতিহাসের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, যখন রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন বাঙালির মুক্তির সনদ। ২০২৬ সালে এসে সেই ঐতিহাসিক ভাষণের ৫৫তম বার্ষিকী পালিত হলো এক অভূতপূর্ব ও ভিন্নতর প্রেক্ষাপটে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় দলীয় কোনো বৃহৎ কর্মসূচি না থাকলেও, সাধারণ মানুষের আবেগ ও স্বতঃস্ফূর্ত শ্রদ্ধায় রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে অম্লান ছিল ৭ মার্চের চেতনা।

সকাল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় এক অন্যরকম আবহ দেখা যায়। প্রশাসনের কড়াকড়ি ও কতিপয় নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অনেক এলাকায় সাউন্ডবক্সে বাজানো হয়েছে সেই কালজয়ী ভাষণ। মগবাজার এলাকায় একদল তরুণ-তরুণীকে দেখা গেছে হাতে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি নিয়ে পদযাত্রা করতে, যেখানে তাদের কণ্ঠে ছিল দেশাত্মবোধক স্লোগান।

তবে শ্রদ্ধার এই প্রকাশটি নির্বিঘ্ন ছিল না। দুপুরের দিকে চানখাঁরপুল ও শাহবাগ মোড় এলাকায় সাউন্ডবক্সে ভাষণ বাজানোর সময় পুলিশি বাধার মুখে পড়েন সাধারণ মানুষ। এ সময় সাউন্ড সিস্টেম জব্দসহ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। একইভাবে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর অভিমুখে শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার পথে তিন নারীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে পরবর্তীকালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও দেশের মূলধারার গণমাধ্যমগুলো আজ ৭ মার্চের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছে। প্রথম আলো, বিডিনিউজ২৪, ডেইলি স্টার ও যুগান্তরসহ শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বিশেষ নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে। ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে এই ভাষণের স্বীকৃতি এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধে এর অনস্বীকার্য ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতেও দিনভর প্রচারিত হয়েছে বিশেষ তথ্যচিত্র ও আলোচনা সভা।

উপস্থিত জনতার অনেকের মতে, একটি আদর্শ বা রাজনৈতিক দর্শনকে সাংগঠনিকভাবে আটকে রাখা গেলেও মানুষের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা অসম্ভব। “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”—বঙ্গবন্ধুর এই বজ্রকণ্ঠ আজও বাঙালির শিরায় উপশিরায় শিহরণ জাগায়।

আজকের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে, রাজনৈতিক মেরুকরণ যাই হোক না কেন, ৭ মার্চের ভাষণ আজও বাঙালির জাতীয় ঐক্যের প্রতীক এবং মুক্তির অবিনাশী প্রেরণা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 বাংলার মুক্ত কন্ঠ
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই